মস্কোয় আশা করা হচ্ছে যে, মিশরের নতুন সংবিধানের খসড়া নিয়ে গণভোটের ফলাফল দেশের নেতৃবৃন্দের জন্য সংস্কার ক্রমানুবর্তনের প্রেরণা হবে. এ সম্বন্ধে বলা হয়েছে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও মুদ্রণ বিভাগের দ্বারা প্রচারিত বিবৃতিতে. রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আশা করে যে, মিশরের কর্তৃপক্ষের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রাধান্য হবে মানব অধিকার ও স্বাধীনতা সুনিশ্চিত করার কর্তব্য. মন্ত্রণালয়ে আশা করা হচ্ছে যে, সরকারী কায়রো নিজের কার্যকলাপে দেশের ধর্মীয় ও নৃকূলগত সংখ্যালঘুদের স্বার্থ বিবেচনায় রাখবে, রাষ্ট্রীয় গঠনের প্রধান প্রধান প্রশ্নে সামাজিক সম্মতি বজায় রাখবে. মঙ্গলবার সরকারীভাবে ঘোষণা করা হয়েছে যে, মিশরে গণভোটে নতুন সংবিধানের খসড়ার পক্ষে ভোট দিয়েছে ৬৩.৮ শতাংশ নির্বাচক, বিপক্ষে – ৩৬.২ শতাংশ. সংবিধানের খসড়া মিশরে দ্ব্যর্থহীনভাবে গৃহীত হয় নি, তা কঠোর রাজনৈতিক বিতর্ক সৃষ্টি করেছে, কোনো কোনো ক্ষেত্রে তা পরিণত হয়েছে প্রতিবাদ অভিযানে এবং বিরোধী পক্ষসমর্থক ও শৃঙ্খলা রক্ষী বাহিনীর মাঝে সঙ্ঘর্ষে.