রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন তাঁদের সাথে একমত নন, যাঁরা মনে করেন যে, তিনি রাশিয়ায় স্বৈরতন্ত্রী শাসন ব্যবস্থা গড়েছেন. বৃহস্পতিবার মস্কোয় বড় সাংবাদিক সম্মেলনে পুতিন বলেন, “আমি মনে করি যে, বিকাশের জন্য বাধ্যতামূলক শর্ত হিসেবে আমরা স্থিতিশীলতা সুনিশ্চিত করেছি. আমি মনে করি এটা অতি গুরুত্বপূর্ণ. তবে এ ব্যবস্থাকে আমি স্বৈরতন্ত্রী বলতে পারব না, এ ধারণার সাথে আমি একমত নই”. পুতিনের মতে, তিনি যে স্বৈরতন্ত্রী নন তার সবচেয়ে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হল “রাষ্ট্রপতি পদে দুই মেয়াদ থাকার পরে দ্বিতীয় স্থানে চলে যাওয়ার” সিদ্ধান্ত. পুতিনের কথায়, “তিনি জেনেশুনে দ্বিতীয় স্থানে চলে গিয়েছিলেন, যাতে শাসন ক্ষমতার পারম্পর্য সুনিশ্চিত করা যায়, দেশের সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধা প্রকট করা যায়”. রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি বলেন যে, রাশিয়ার শাসন ব্যবস্থাকে স্বৈরতন্ত্রী মনে করা উচিত্ নয়. সেই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন যে, “যদি কেউ মনে করেন যে, গণতন্ত্র এবং আইন পালন করা – ভিন্ন ভিন্ন বিষয়, তাহলে এটা তাঁর গভীর ভুল”. তাঁর কথায়, রাশিয়ায় ১৯৯০-এর দশকের নৈরাজ্যের ফলে গণতন্ত্র ও বাজারের অর্থনীতির অবমাননা হয়েছিল. পুতিনের উক্তি উদ্ধৃত করেছে “ইন্টারফাক্স” সংবাদ সংস্থা, “আমি মনে করি যে, শৃঙ্খলা, নিয়মানুবর্তিতা, অক্ষরে অক্ষরে আইন পালন করা গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার পরিপন্থী নয়”.