রাশিয়ার সামরিক বাহিনী রোবট দিয়ে বাড়ানো হবে. প্রতিরক্ষা মন্ত্রী সের্গেই শইগু তাঁর মন্ত্রণালয়ের জন্য এক স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র বানানোর কেন্দ্র তৈরী করার নির্দেশ দিয়েছেন. একই ধরনের সফল অভিজ্ঞতা তাঁর রয়েছে রাশিয়ার বিপর্যয় নিরসন মন্ত্রণালয়ের প্রধান হওয়ার সুবাদে. সামরিক বাহিনীর লোক ও ত্রাণ কর্মীরা ঠিক করেছেন এক বিশেষ কাজের দল তৈরী করার, যাতে প্রত্যেক মন্ত্রণালয়ের নানা রকমের প্রযুক্তি সংক্রান্ত কাজকর্মের অভিজ্ঞতা এখানে একসাথে ব্যবহার করা সম্ভব হয়.

সেই ধরনের রোবট প্রযুক্তির সঙ্গে আলাদা করে পরিচিত হওয়ার, যা ইতিমধ্যেই বিপর্যয় ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ে রয়েছে, তা সের্গেই শইগুর কোন প্রয়োজন নেই. কিছুদিন আগেও, বিপর্যয় নিরসন মন্ত্রণালয়ের প্রধান হিসাবে তিনি নিজে অগ্নি নির্বাপণের জন্য, মাইন উদ্ধারের জন্য, বরফের উপর ও জলা ভূমির মধ্যে দিয়ে যাওয়ার উপযুক্ত চেন লাগানো চাকা ওয়ালা বিশেষ ধরনের রোবট প্রযুক্তি ও যন্ত্র কাজের ক্ষেত্রে গ্রহণের বিষয়ে অংশ নিয়েছিলেন. প্রতিরক্ষা দপ্তরে তাঁর বর্তমানের অধীনস্থ কর্মীদের মন্ত্রী পরামর্শ দিয়েছেন সহকর্মীদের অভিজ্ঞতা মনে রাখতে. এটা অংশতঃ পাইলট বিহীণ বিমানের বিষয়েও বলা যেতে পারে, বিপর্যয় নিরসন মন্ত্রণালয়ের পাইলট বিহীণ বিমান গুলি ত্রাণ সামগ্রী এমনকি জানলা বা ছোট জানলার ভিতর দিয়েও পৌঁছে দিতে পারে. সামরিক বাহিনীর আবার এমন কিছু কাজ রয়েছে, যা পাইলট বিহীণ বিমান দিয়েই করা সম্ভব, এই কথা উল্লেখ খরে “জাতীয় প্রতিরক্ষা” নামের জার্নালের প্রধান সম্পাদক ইগর করোতচেঙ্কো বলেছেন:

“যে কোন আধুনিক সামরিক বাহিনীরই প্রয়োজন আগে থেকে গোপন খবরাখবর পাওয়া, তার মধ্যে যুদ্ধ ক্ষেত্র থেকেও খবর পাওয়ার ব্যাপার রয়েছে, যা যুদ্ধের কাজ শুরুর ক্ষেত্রে জরুরী. এটা পাইলট বিহীণ বিমান যোগাড় করে দিতে পারে. আগে আমাদের দেশে বিদেশ থেকে এই ধরনের প্রযুক্তির নমুনা কেনা হত. আর এবারে যে, রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর জন্য এই প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করার কেন্দ্র খোলা হচ্ছে, যেখানে তা তৈরী ও যুদ্ধের প্রয়োজনে ব্যবহারের ক্ষেত্রে পরীক্ষা করে দেখা হবে, তা সঠিক দিকেই নেওয়া পদক্ষেপ হয়েছে”.

আগুন নেভানোর জন্য রোবট প্রযুক্তি ব্যবহারের যে প্রয়োজন রয়েছে, তা সামরিক বাহিনীর কর্মীরা ইতিমধ্যেই পরীক্ষা করে দেখে নিতে পেরেছেন, বিশেষত, যখন তাদের বিভিন্ন জায়গায় অস্ত্রাগারের আগুন নেভানোর প্রয়োজন পড়েছিল. আর মাইন উদ্ধারের কাজও প্রায় পুরোটাই এবারে রোবট দিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিতে যাওয়া হচ্ছে.