জাপানের নির্বাচকরা সম্প্রতিকালে দেশের রাজনৈতিক মানচিত্রে মৌলিক পরিবর্তন এনেছে: পার্লামেন্টারী নির্বাচনে বেশির ভাগ ভোট পেয়েছে রক্ষণশীল লিবেরাল-ডেমোক্রেটিক পার্টি. নিজেদের শরিক “কোমেইতো” পার্টির সাথে মিলে তারা পার্লামেন্টের নিম্ন কক্ষে ৪৮০টি আসনের মধ্যে ৩২৫টি আসন পাবে. লিবেরাল-ডেমোক্রেটিক পার্টি পাবে ২৯৪টি আসন, প্রায় তত আসন, যা পরাজিত ডেমোক্রেটিক পার্টি ২০০৯ সালের নির্বাচনে পেয়ে জিতেছিল এবং লিবেরাল-ডেমোক্রাটদের প্রায় ৫০ বছরের একাধিপত্য ভেঙ্গেছিল, সোমবার লিখেছে “ফাইন্যানশিয়াল টাইমস” পত্রিকা. শেয়ার বাজারের “নিকেই” সূচক ১.৪ শতাংশ বেড়েছে লিবেরাল-ডেমোক্রেটিক পার্টির বিজয়ে, এবং বিগত আট মাসে এই প্রথম ৯৯০০ পয়েন্টের কাছে পৌঁছেছে. বাজার অপেক্ষা করছিল লিবেরাল-ডেমোক্রাটদের বিজয়ের. তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল অর্থনীতির বিকাশে প্রেরণা দেওয়ার পরিকাঠামোর জন্য খরচ বাড়ানোর মাধ্যমে. এ পার্টি তাছাড়া জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের উপর চাপ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে ইয়েনের মূল্য হ্রাস ও তার হার দুর্বল হওয়ার সমস্যা মীমাংসার জন্য. আশা করা হচ্ছে যে, এ পার্টির নেতা সিন্দজো আবে প্রধানমন্ত্রীর পদ গ্রহণ করবেন এবং পালন করতে পারবেন অন্য প্রাক-নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি – দেশের প্রতিরক্ষা ক্ষমতা আরও মজবুত করার. বিশেষ করে, আবে জাপানের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জে (চীনা নাম – দিয়াওইউইদাও) স্থায়ী সামরিক উপস্থিতি রাখতে চান. এ দ্বীপপুঞ্জ বহুকাল ধরে জাপান ও চীনের মাঝে ভূভাগীয় বিতর্কের বিষয়. জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োসিহিকো নোদা নির্বাচনে ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক পার্টির পরাজয় স্বীকার করেছেন. তিনি যোগ করে বলেন যে, পার্টির নেতৃপদ থেকে তিনি সরে যাচ্ছেন. নির্বাচনে পার্টি হেরে গেল কেন এ প্রশ্নের উত্তরে নোদা বলেন যে, “২০০৯ সালে শাসন ক্ষমতায় আসার সময় থেকে তা লোকেদের প্রত্যাশা পুরণ করতে পারে নি”.