0২০৩০ সাল নাগাদ চীন হবে পৃথিবীর বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ, ইউরোপ, রাশিয়া এবং জাপান নিজেদের ভূমিকার অপেক্ষাকৃত হ্রাসের সম্মুখীন হবে, আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের একমাত্র সুপার-পাওয়ারের ভূমিকা হারাবে. এ সম্বন্ধে বলা হয়েছে “বিশ্ব প্রবণতা: বিকল্প জগত্” নামে রিপোর্টে, যা প্রকাশ করেছে মার্কিনী জাতীয় গোয়েন্দা পরিষদ. রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পরবর্তী ২০ বছরে নতুন প্রকৌশলের বিকাশ হবে উন্নয়নশীল দেশগুলিতে, কারণ আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলি প্রধাণত শক্তি সমাবেশ করবে দ্রুত বিকশমান বাজারে, যেমন চীন, ভারত, ব্রাজিলে. বিশেষজ্ঞরা জোর দিয়ে বলেছেন যে, আঞ্চলিক অর্থনীতির দেশগুলির ভূমিকাও বৃদ্ধি পাবে, যেমন তুরস্ক, ইন্দোনেশিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকায়. গবেষকদের মতে, প্রকৌশলের বিকাশের ফলে শাসন ক্ষমতা এবং বিশ্ব আধিপত্য আর একটি দেশের হাতে জমা থাকবে না, তবে দেখা দেবে এক বিশেষ বিন্যাস যা বিশ্ব রাজনীতির উপর প্রভাব বিস্তার করবে. ইন্টারনেট-মালিকরা নিয়ন্ত্রণ করবে বিপুল পরিমাণ তথ্য. তবে যোগাযোগ প্রকৌশলের সর্বত্র ব্যবহার সরকারকে “নিজের নাগরিকদের উপর নজর রাখার অভূতপূর্ব সুযোগ-সম্ভাবনা” জোগাবে. ইস্লামিক সন্ত্রাসবাদের জোয়ার, সম্ভবত শেষ হয়ে যাবে ২০৩০ সাল নাগাদ. তাছাড়া রিপোর্টের রচয়িতারা পূর্বাভাস দিচ্ছেন নতুন সব অস্ত্রের আবির্ভাবের, সেই সঙ্গে সাইবার-অস্ত্রের এবং জৈব অস্ত্রের. মার্কিনী গোয়েন্দা বিভাগের বিশেষজ্ঞদের রিপোর্ট প্রকাশিত হয় ৪ বছরে একবার.