কায়রোয় রাষ্ট্রপতি মহম্মদ মুর্শির সমর্থক ও বিরোধীদের মধ্যে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫-এ গিয়ে দাঁড়িয়েছে. মিশরের স্বাস্থ্যরক্ষা মন্ত্রক প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী চারশোরও বেশি মানুষ রাষ্ট্রপতি ভবনের আশেপাশে আহত হয়েছে. সংবিধানে আনা নতুন সংশোধনী, যা মুর্শিকে অতিরিক্ত আইনগত ক্ষমতা দেবে, তার বিরূদ্ধে বিরোধীরা আন্দোলনে নেমেছে. তদুপরি ধর্মনিরপেক্ষ দলগুলি তাড়াহুড়ো করে ১৫ই ডিসেম্বর নতুন সংবিধান চালু করার জন্য অনুমোদন লাভ করার প্রচেষ্টার বিপক্ষে. মিশরের রাষ্ট্রপতির বাসভবনের চারিদিকে পরিস্থিতি এখনো উত্তেজনাপূর্ণ, গোলাগুলির আওয়াজ শোনা যাচ্ছে. অন্যদিকে রাষ্ট্রপতি মুর্শি সমাবেশকারীদের উপর বলপ্রয়োগ করতে নিষেধ করেছেন. উদারপন্থী বিরোধী দলগুলির নেতারা জানিয়ে দিয়েছেন, যে তারা দেশের শাসক কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপ-আলোচনায় বসতে প্রস্তুত, তবে রাষ্ট্রপতি সংবিধান সংশোধনের জন্য পরিকল্পিত গণভোট স্থগিত রেখে তার সংশোধন সম্পর্কে ঘোষনা প্রত্যাহার করার পরেই. মিশরে যে হিংসাত্মক কান্ডের ঢেউ বইছে, সেজন্য তারা রাষ্ট্রপতি মুর্শিকেই নৈতিকভাবে দায়ী করছেন. ইউরোপীয় সংঘের বিদেশ দপ্তরের মুখ্য প্রতিনিধি ক্যাথরিন এ্যাশটন মিশরের রাস্তাঘাটে সমাবেশকারীদের মধ্যে সংঘর্ষে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন. তিনি সকল পক্ষের কাছে শান্ত ও স্থিতধী হয়ে ব্যাপকস্তরে সংলাপ শুরু করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন.