রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ অ্যাসেম্বলি প্যালেস্টাইনী স্বায়ত্ত্ব শাসনকে এ সংস্থার পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে. প্যালেস্টাইনীরা এ সিদ্ধান্তকে গ্রহণ করেছে জাতীয় বিজয় হিসেবে. হাজার হাজার লোকে বৈঠকের প্রত্যক্ষ সম্প্রচার দেখেছে যেমন গাজা অঞ্চলে তেমনই জর্ডান নদীর পশ্চিম তীরে. রাষ্ট্রসঙ্ঘের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্রের মধ্যে ১৩৮টি রাষ্ট্র, সেই সঙ্গে রাশিয়া, প্যালেস্টাইনী স্বায়ত্ত শাসনকে রাষ্ট্রসঙ্ঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকার করার পক্ষে মত প্রকাশ করেছে. রাষ্ট্রসঙ্ঘে রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি ভিতালি চুরকিন বলেন, “সিদ্ধান্তের প্রতি বেশির ভাগ দেশের সমর্থনকে ঐতিহাসিক ন্যায় পুনর্স্থাপনের পথে গুরুত্বপূর্ণ সঙ্কেত-চিহ্ন বলে বিবেচনা করি”. রাশিয়া মনে করে যে, প্যালেস্টাইনের মর্যাদা বৃদ্ধি নিকট-প্রাচ্যে শান্তি প্রক্রিয়াকে প্রেরণা দেবে. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইস্রাইল সিদ্ধান্তের বিপক্ষে ভোট দিয়েছে. মার্কিনী পররাষ্ট্র সচিব হিলারী ক্লিন্টন বলেন যে, সাধারণ অ্যাসেম্বলির সিদ্ধান্ত “দুঃখজনক এবং তা উল্টো ফল দায়ক”.আর ইস্রাইল আগে সতর্ক করে দিয়েছিল যে, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে প্যালেস্টাইনকে স্বায়ত্ত শাসনের স্থিতি থেকে বঞ্চিত করতে পারে. প্যালেস্টাইনী প্রশাসনের প্রতিনিধিরা জোর দিয়ে বলেছেন যে, তাদের প্রধান লক্ষ্য – প্যালেস্টাইনকে পূর্ণাধিকারী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা.