ভারতের বৃহত্তম ইস্পাত উত্পাদক কোম্পানী আর্সেলর মিত্তল কোম্পানীর মালিক লক্ষ্মী মিত্তল ও ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ফ্রান্সুয়া ওল্ল্যান্দ মঙ্গলবারে আলোচনায় বসছেন. ফ্রান্সের সরকার ভয় দেখিয়েছে যে, এই কোম্পানীকে দেশ ছাড়া করবে, যদি তারা ফ্রান্সে তাদের একটি ইস্পাত কারখানার দুটি চুল্লী বন্ধ করে দেয়. এলজাস- লটারিঙ্গি এলাকায় ফ্লোরেঞ্জ নামের কারখানায় আর্সেলর মিত্তল ঠিক করেছে দুটি ইস্পাত ঢালাইয়ের চুল্লী বন্ধ করে দেবে ও ৬২৯ জন শ্রমিককে ছাঁটাই করবে. ফ্রান্সের লোকরা চাইছে এই কাজের জায়গা গুলি বজায় রাখতে, কিন্তু আপাততঃ তাতে কোন ফল হয় নি.

স্ক্যান্ডাল শুরু হয়েছিল যখন ফ্রান্সের শিল্প মন্ত্রী আর্নো মন্তেবুর আর্সেলর মিত্তল কোম্পানীকে তাদের দেশের সরকারের সঙ্গে চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগ করেছেন. এর আগে আর্সেলর মিত্তল সরকারকে প্রস্তাব করেছিল ১লা ডিসেম্বরের আগে দুটি বন্ধ হয়ে যাওয়া চুল্লী বিক্রী করার জন্য ক্রেতা খোঁজার, তা না হলে সেই দুটি বন্ধ করে দেওয়া হবে. ফ্লোরেঞ্জ কারখানার অন্যান্য উত্পাদনের জায়গা গুলি ও তারই সঙ্গে ২ হাজার কর্মীর কাজ চালু রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই কনসার্ন. মন্তেবুর নিজের পক্ষ থেকে বলেছেন যে, দুটি চুল্লী আলাদা করে বিক্রী করা অন্য সব কিছু বাদ দিয়ে সম্ভব নয়. তিনি দাবী করেছেন কোম্পানীর পক্ষ থেকে সমস্ত কারখানাটাই বেচে দিতে হবে, তা না হলে কারখানা জাতীয়করণ করা হবে. আর্সেলর মিত্তল কোম্পানীর উকিলরা মনে করেন যে, ফ্লোরেঞ্জ কারখানা ফ্রান্সের ও ইউরোপীয় সঙ্ঘের আইন বজায় রেখে জাতীয়করণ করা খুব একটা সহজ কাজ হবে না.