প্যালেস্টাইনী “হামাস” আন্দোলনের নেতা খালেদ মাশাল ইস্রাইলের সাথে বুধবার অর্জিত সাময়িক অগ্নি সংবরণের চুক্তিকে প্যালেস্টাইনের মুক্তির দিকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে অভিহিত করেছেন. আপোষের শর্ত দেখিয়েছে যে, “প্রতিরোধ ছিল সঠিক নির্বাচন”, বলেন তিনি কায়রো-তে এক সাংবাদিক সম্মেলনে, মাশাল বলেন, “এটা গাজা অঞ্চলের অবরোধ দূর করার ব্যাপক সূচনা. এটা প্যালেস্টাইনের মুক্তির দিকে আমাদের পথ”.

বুধবার ইস্রাইল এবং গাজা অঞ্চলে ক্ষমতাসীন হামাস আন্দোলন মিশরের মধ্যস্থতায় অগ্নি সংবরণে সম্মত হয়. এইভাবে শেষ হয় আট দিন ব্যাপী সঙ্ঘর্ষের, যার ফলে ১৫০ জনেরও বেশি প্যালেস্টাইনী এবং পাঁচজন ইস্রাইলী নিহত হয়েছে. চুক্তির মিশরীয় বয়ান অনুযায়ী, উভয় পক্ষ সমস্ত সামরিক ক্রিয়াকলাপ বন্ধ করার বাধ্যবাধকতা গ্রহণ করছে. তার অর্থ এও যে, ইস্রাইল-কে পৃথক পৃথক ব্যক্তির শিকার বন্ধ করতে হবে. এ ধারাটি ইস্রাইলের ভূভাগে প্যালেস্টাইনী রকেট বর্ষণ এবং গাজা অঞ্চলের সাথে সীমানায় আক্রমণের সাথে জড়িত হামাস আন্দোলনের প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে ইস্রাইলী অভিযানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য. এ চুক্তি অনুযায়ী, অগ্নি সংবরণের চুক্তি বলবত্ হওয়ার একদিনের মধ্যে গাজা অঞ্চলের সীমানা খোলার প্রশ্ন সর্বসম্মত করার কথা. তা যেমন গাজা অঞ্চলে, তেমনই সেখান থেকে লোকেদের এবং পণ্যদ্রব্যের যাতায়াতের সুযোগ দেবে. মিশরের রাষ্ট্রপতির প্রতিনিধি এসাম হাদ্দাদ “ফাইন্যানশিয়াল টাইমস” পত্রিকাকে প্রদত্ত ইন্টারভিউতে বলেন যে, সর্বপ্রথমে, প্যালেস্টাইনী গাজা অঞ্চলে মানবতাবাদী জিনিসপত্রের সরবরাহ পুনরারম্ভ হবে. পরে গাজা অঞ্চলে অন্যান্য পণ্যদ্রব্য সরবরাহেরও অনুমতি দেওয়া হবে, সেই সঙ্গে নির্মাণের মালপত্রও. বিশ্ব জনসমাজ ইস্রাইল এবং হামাসের মাঝে অগ্নি সংবরণের চুক্তি সমর্থন করেছে.