মার্কিনী পররাষ্ট্র সচিব হিলারী ক্লিন্টন মঙ্গলবার ইস্রাইলে পৌঁছোবেন, জানিয়েছে ইস্রাইলের গাআরেত্স পত্রিকা. বুধবার তাঁর সাক্ষাত্ হওয়ার কথা ইস্রাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু, রাষ্ট্রপতি শিমোন পেরেস এবং ইস্রাইলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিবেরমানের সাথে. ক্লিন্টন গাজা অঞ্চলে সঙ্কট নিয়ে আলোচনার জন্য তাছাড়া সফর করবেন রামাল্লা ও কায়রো. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্থিতি, যা সফরের সময় ব্যাখ্যা করবেন ক্লিন্টন, তা হল এই যে, “গাজায় সশস্ত্র সঙ্ঘর্ষের বৃদ্ধি কারুরই স্বার্থ সম্মত নয়”. এ সম্বন্ধে কম্বোজের রাজধানী প্নোমপেনে মঙ্গলবার বলেছেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত সহকারী উপদেষ্টা বেন রডস. তিনি বলেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গাজা অঞ্চলে সঙ্ঘর্ষ বন্ধ করা নিয়ে মীমাংসার চাবিকাঠি হল ইস্রাইলের ভূভাগে প্যালেস্টাইনের রকেট বর্ষণ বন্ধ করা. সেই সঙ্গে, ওবামা ইস্রাইল-কে গাজা অঞ্চলে স্থল অভিযান থেকে বিরত থাকার অনুরোধ করেন নি. তিনি মনে করেন যে, ইস্রাইলী নেতৃবৃন্দের “অধিকার রয়েছে নিজের নিরাপত্তা সম্পর্কে স্বতন্ত্রভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণের”, উল্লেখ করেন রডস. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইস্রাইলের ক্রিয়াকলাপের সাফাই গেয়েছেন. মার্কিন রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামা বিগত কয়েক দিনে কয়েকবার এ কথা পুনরাবৃত্তি করেছেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইস্রাইলীদের আত্মরক্ষার অধিকার স্বীকার করে, এবং সঙ্ঘর্ষের জন্য দায়িত্ব আরোপ করেন “হামাস” আন্দোলনের উপর. জানানো হয়েছিল যে, নেতানিয়াহু গাজা অঞ্চলে স্থল-অভিযান পরিচালনা ২৪ ঘন্টার জন্য স্থগিত রাখতে সম্মত হয়েছিলেন, যাতে আপোষ অর্জনের চেষ্টা করা যায়. আগে প্রধানমন্ত্রী গাজা অঞ্চলে স্থল-অভিযানের পরিসর যথেষ্ট মাত্রায় প্রসারের প্রস্তুতির কথা ঘোষণা করেছিলেন. ইস্রাইলী প্রচার মাধ্যম জানিয়েছিল যে, তেল-আভিভ গাজা অঞ্চলে ২৪ থেকে ৪৮ ঘন্টার জন্য অগ্নি সংবরণ সম্বন্ধে চুক্তি অর্জনের জন্য আগ্রহী.