ইজরায়েল ও প্যালেস্টাইনের হামাস গোষ্ঠীর লোকরা এখনও শান্তি স্থাপন নিয়ে কোনও চুক্তিতে আসতে পারছে না. ইজিপ্টের কায়রো শহরে ইজিপ্টের মধ্যস্থতার মাধ্যমে বকলমে যে আলোচনা করা হচ্ছে, তা চলছে গাজা সেক্টরে বোমা বর্ষণ ও ইজরায়েলের এলাকায় রকেট ছোঁড়ার মধ্যেই.

ইজরায়েলের অপারেশন শুরু হওয়ার পর থেকে প্যালেস্টাইনে নাগরিকদের মধ্যে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৯০ জন, আর তাঁদের মধ্যে বহু নারী ও শিশু রয়েছেন, ইজরায়েলেরও তিনজন নাগরিকের প্রাণহানি হয়েছে.

ইজিপ্টের মধ্যস্থতায় প্যালেস্টাইনের গোষ্ঠীর সঙ্গে ইজরায়েলের প্রতিনিধিকে আলোচনা করতে ডেকে আনা হয়েছে, তাদের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যোগ দিয়েছে কাতার ও তুরস্ক, কিন্তু নিজেদের সমস্ত কাজই তারা ইজিপ্টে রাষ্ট্রপতি মুহাম্মেদ মুর্সির মাধ্যমে যোগাযোগ করে করছে.

হামাসের লোকরা অন্যান্য গোষ্ঠীর সাথে মিলে গাজা এলাকার ঘেরাও সম্পূর্ণভাবে তুলে নেওয়ার দাবী করছে, গোলা বর্ষণ বন্ধ করতে ও তাদের নেতাদের এক একজনকে আলাদা করে হত্যা করার অভ্যাস বন্ধ করার দাবী করছে. নিজেদের দিক থেকে ইজরায়েল দাবী করছে কম করে হলেও পনেরো বছর বা তার বেশী সময়ের জন্য যুদ্ধ বন্ধ করার গ্যারান্টি দেওয়ার, অবিলম্বে এই এলাকায় অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করার ও ইজরায়েলের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর উপরে আক্রমণ বন্ধ করার.

রাশিয়ার বিশেষজ্ঞদের মধ্যেও কোন ঐক্যবদ্ধ মত নেই যে, শান্তি চুক্তির সম্ভাবনা কতটা বাস্তব সম্মত তা নিয়ে. রাশিয়ার স্ট্র্যাটেজিক মূল্যায়ণ ইনস্টিটিউটের বিশেষজ্ঞ আঝদার কুরতভ এই প্রসঙ্গে বলেছেন:

“কোন সন্দেহই নেই যে, শান্তি চুক্তি হতেই পারে. কারণ তা সবসময়ই একটি প্রাক্ পর্বের শর্ত, যাতে দুই পক্ষই সম্পূর্ণ প্রসারিত ভাবে আলোচনার টেবিলে বসতে পারে. রাজনৈতিক উপায়ে ইজরায়েল ও প্যালেস্টাইনের মধ্যে সমাধান সম্ভব নয়, এমন একটি সমস্যাও নেই. সুতরাং আমি শান্তি স্থাপন হওয়া নিয়ে সম্ভাবনাকে বাদ দিচ্ছি না”.

স্ট্র্যাটেজিক বিশ্লেষণ ও মূল্যায়ণ ইনস্টিটিউটের বিশেষজ্ঞ সের্গেই দেমিদেঙ্কো দুই পক্ষ যুদ্ধের বিরোধ বাদ দিতে পারে কি না সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে বলেছেন:

“না, তারা পারে না. হামাসের নিয়ন্ত্রণে নেই এমন অনেক প্যালেস্তিনীয় গোষ্ঠী রয়েছে. হামাসের উপরেই ঠেলা ধাক্কা দেওয়া যেতে পারে যে, তারাই সব কিছুতে দোষী, কিন্তু এটা একেবারেই সেই রকমের নয়. গাজা সেক্টর দ্বন্দ্বে বহু বিভক্ত, তাই সবার সঙ্গে শান্তি চুক্তি যে কোন ভাবেই করা সম্ভব নয়. এই পরিস্থিতিতে কোন রকমের কার্যকরী শান্তি চুক্তি সম্বন্ধে বলা অবশ্যই যেতে পারে না”.

ইজরায়েলের সরকার এর মধ্যেই হামাস গোষ্ঠীকে ৩৬ ঘন্টার চরমপত্র দিয়েছে. যদি এই সময়ের মধ্যে গাজা সেক্টর থেকে ইজরায়েলের দিকে রকেট ছোঁড়া বন্ধ করা না হয়, তবে তারা সামরিক অপারেশন আরও বড় করে করবে. এই বিষয়ে ঘোষণা করেছেন ইজরায়েলের অর্থ মন্ত্রী ইউভাল শ্টাইনিত্স. বিশেষজ্ঞরা এই প্রসঙ্গে মনোযোগ দিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামার ঘোষণার উপরে, যিনি ইজরায়েলের পক্ষ থেকে আক্রমণ কে বলেছেন প্রয়োজনীয় আত্মরক্ষা বলেই, তাঁর কথামতো:

“বিশ্বে এমন একটা দেশও নেই, যারা নিজেদের উপরে রকেট বর্ষণ সহ্য করবে, যা অন্যের এলাকা থেকে তাদের নাগরিকদের উপরে এসে পড়ছে. আমরা এই এলাকায় সক্রিয় ভাবেই কাজ করছি”.

0মঙ্গলবারে গাজা সেক্টরে সমর্থন সফরে পৌঁছে যাচ্ছেন আরব লীগের সাধারন সম্পাদক

নাবিল আল- আরাবি

0 ও এক মন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধি দল. কায়রো শহরে আরব লীগের পররাষ্ট্র মন্ত্রী পর্যায়ে এক বৈঠকে গাজা সেক্টরে মিশন পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল. খুবই আসন্ন সময়ে এই এলাকায় রাষ্ট্রসঙ্ঘের মহাসচিব

বান কী মুন

0 সফরে আসছেন.