ইজিপ্টের প্রধানমন্ত্রী হিশাম কান্দিল গাজা সেক্টর সফর করার পরেও বোঝা গেল না যে, কি করে বর্তমানের ইজরায়েল ও হামাসের মারাত্মক বিরোধের অবসান হতে পারে. ইজরায়েলে তিন ঘন্টা সফরের সময়ে ইজরায়েল আকাশ পথে গাজা সেক্টরে বোমা বর্ষণ ও গুলি করা বন্ধ করার আশ্বাস দিয়েছিল. একটু আশা জুগিয়েছে, শুধু সেই টুকুই যে, বিগত সময়ে ইজিপ্ট একাধিকবার ইজরায়েল ও হামাসের মধ্যে অগ্নি সম্বরণের বিষয়ে চুক্তিতে পৌঁছতে মধ্যস্থ হিসাবে সাহায্য করেছে.

গাজা সেক্টরে কান্দিল বলেছেন যে, “ইজিপ্ট শক্তি প্রয়োগে কোন খামতি দেবে না, যাতে এই আগ্রাসন বন্ধ করা যায় ও শান্তি ফিরিয়ে আনা যায়”. কিন্তু এই শক্তি প্রয়োগ কিসে শেষ অবধি পরিণত হবে, আর মুখ্য বিষয় হল যে, কি দিয়ে তা শেষ হবে, বলা কঠিন.

মস্কো শহরে প্যালেস্টাইনের রাষ্ট্রদূত ফায়েদ মুস্তাফা মনে করেন যে, সব কিছুই আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যেই হবে, আর সেই ক্ষেত্রে যে কোন রকমেরই ঘটনা ঘটতে পারে. তার মধ্যে ইজরায়েলের সেনা বাহিনীর পক্ষ থেকে পদাতিক সৈন্য বাহিনীর আক্রমণও থাকতে পারে.

ইজরায়েল যে, এই ধরনের মতলব থেকে এখনও দূরে সরে যায় নি, তা বোঝা গিয়েছে শুধু ১৬ হাজার রিজার্ভ সেনাকেই যুদ্ধের কারণে অস্ত্র ধরার আহ্বানে আর ইজরায়েলের বিমান বাহিনী এর মধ্যেই সীমান্তের কাছের এলাকায় গাজা সেক্টরের জমিতে বোমা ফেলে পদাতিক বাহিনী ও সাঁজোয়া গাড়ী ঢোকার ব্যবস্থা করে ফেলেছে.

ইজিপ্টের রাষ্ট্রপতি মুহাম্মেদ মুর্সি নিজে প্রধানমন্ত্রীকে গাজা সেক্টরে পাঠিয়েছেন. তাঁর প্রধান কাজ ছিল হামাস দলকে বুঝিয়ে ইজরায়েলের এলাকায় রকেট ছোঁড়া থেকে নিরস্ত করা. আর সেই ভাবেই শুধু সামরিক আগ্রাসন ও নিকট প্রাচ্যে বিপজ্জনক ভাবে বিরোধ বেড়ে ওঠা ঠেকানো যেতে পারে.

দুই পক্ষকেই অগ্নি সম্বরণ করতে আহ্বান করেছে রাশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গ্রেট ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানী, রাষ্ট্রসঙ্ঘ. এই সব দেশের নেতারা ইতিমধ্যেই ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেথানিয়াখুর সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগ করেছেন.