ইন্টারফ্যাক্স আজারবাইজান ও সামাজিক যুব সংগঠন “ইরেলি”(অগ্রগামী) জানিয়েছে যে, এই দেশের জাতীয় শিল্পী শোভকেত আলেকপেরোভার নব্বই বছরের জয়ন্তী উপলক্ষে সোমবারে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে.

এই অনুষ্ঠানে বাকুর সঙ্গীত একাডেমী সহায়তা করবে. এই সঙ্গীতানুষ্ঠানে নবীন জ্যাজ সঙ্গীত বাজিয়েরা অংশ নেবে, যারা আলেকপেরোভার বিভিন্ন বয়সে ও বিভিন্ন ধরনের সঙ্গীত শৈলীতে গাওয়া গান শোনাবে.

অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য নবীন প্রজন্মকে চিনিয়ে দেওয়া মহান শিল্পীর সঙ্গীতের সঙ্গে. তিনি ১৯২৩ থেকে ১৯৯৩ সাল অবধি জীবিত ছিলেন, ১৯৩৭ সালে এক প্রতিযোগিতায় তাঁর প্রতিভাকে স্বীকৃতী দিয়েছিলেন তত্কালীন বিখ্যাত গায়ক উজেইর গাজিবেকভ ও গায়ক বুলবুল. আলেকপেরোভার গাওয়া কারাবাখ শিকেস্টেসি শোনার পরে গাজিবেকভ তাঁকে সদ্য তৈরী হওয়া আজারবাইজান রাষ্ট্রীয় কোরাসে গান গাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ করেন, যেখান থেকেই গায়িকার পেশাদার জানের শুরু হয়েছিল.

১৯৪৫ সাল থেকে তিনি কাজ করতেন আজারবাইজান রাষ্ট্রীয় ফিলহারমোনিক থিয়েটারে. ১৯৫০ সালে তাঁকে সবচেয়ে জনপ্রিয় জাতীয় সঙ্গীত ও লোক গীতি গায়িকার সম্মান দেওয়া হয়েছিল. তাঁর গানের সংগ্রহে আজারবাইজানের ভাষায় গান ছাড়াও ছিল পারস্য, তুর্কী ও আরবী ভাষায় গাওয়া গান. তাঁর শিল্পী জীবনে তিনি ২০টিরও বেশী এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার দেশে অনুষ্ঠান করতে গিয়েছিলেন.