এই ঘোষণা করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রী সের্গেই লাভরভ সোমবারে. লাখদার ব্রাহিমি জেনেভায় গৃহীত নীতির বাস্তব মাত্রা দেবেন বলেই তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, যা সেই বৈঠকের পরে ঘোষিত হয়েছিল. রুশ সংবাদপত্রের সম্পাদকীয় বিভাগ ও পাঠকদের প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে লাভরভ বলেছেন যে, সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি বাশার আসাদ সিরিয়াতে জাতীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার একমাত্র ভরসা, তাদের মধ্যে খ্রীষ্টানরাও রয়েছেন. আর দেশের অনেক মানুষই তাঁকে এখনও সমর্থন করেন. লাভরভ মনে করেন যে, বর্তমানে নিকটপ্রাচ্যের ভূ- রাজনৈতিক মানচিত্রকে আবার করে তৈরী করার চেষ্টা করা হচ্ছে. আর বহু ক্রীড়নকের মগজেই যত না সিরিয়া, তার থেকেও বেশী রয়েছে ইরান. তাঁরা চান ইরানের নিকটতম সহযোগী বাশার আসাদকে এই কারণেই হঠিয়ে দিতে. তিনি একই সঙ্গে উল্লেখ করেছেন যে, সিরিয়াতে বিরোধী পক্ষ প্রায়ই সন্ত্রাসবাদী কাজকর্মের শরণ নিচ্ছে. কিন্তু পশ্চিম বহু দিন ধরেই রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে এই ধরনের অন্তর্ঘাতকে সমালোচনা করতে দিচ্ছে না, আর এটা একটা ঐতিহ্যে পরিণত হচ্ছে. রাশিয়ার পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রধান বিশেষ করে উল্লেখ করেছেন যে, একটা সেই রকমের ধারণাই তৈরী হচ্ছে যে, কিছু দেশ সিরিয়াতে পরিস্থিতি ঠিক হতে দিতে চায় না. বিরোধী পক্ষকে এই কারণে দেওয়া হচ্ছে অর্থ, অস্ত্র ও মানসিক সাহচর্য. রাশিয়ার পক্ষ থেকে আগেও ঘোষণা করা হয়েছে যে, সিরিয়াতে যে কারণে হিংসা চালু রয়েছে, তা চরমপন্থী বিরোধী পক্ষের বাইরের দেশকে উসকানি দেওয়ার মধ্যেই নিহিত ও দামাস্কাসের সঙ্গে কোন রকমের আলোচনা করতে দেওয়া হচ্ছে না বলেও. তাই রুশ প্রজাতন্ত্র সমস্ত বাইরের পক্ষকে শক্তি প্রয়োগ করতে আহ্বান করেছে, যাতে সিরিয়ার সঙ্কটের উপরে চাপ দেওয়া যায় ও তারা একসাথেই হিংসা পরিহার করে.