কোরান-পাঠের ১৩তম আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় জয়লাভ করেছে টিউনিশিয়ার ২৫ বছর বয়সী মার্জুক হুসাম. সৌদী আরব, তুরস্ক, আমেরিকা, চীন, ইন্দোনেশিয়া, ইরাক সহ ৩৪টি দেশের পাঠকরা ঐ প্রতিযোগিতায় যোগ দিয়েছিল.

রাশিয়ার মুফতি পরিষদ আয়োজিত প্রতিযোগিতা, যার অর্থসংস্থান করে মস্কো শহরের কর্পোরেশন, এবারে প্রথম আয়োজিত হয়েছিল ২ দফায়. প্থম দফা ছিল কোয়ালিফিকেশন, যেখান থেকে ৭ জন পাঠককে বেছে নেওয়া হযেছিল. তারা মিশর, ইয়েমেন, টিউনিশিয়া, সৌদী আরব, কুয়েত, আমেরিকা ও জর্ডানের নাগরিক. জ্যুরি এই নিরপেক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল.

সংগঠক কমিটি ৫ জন নিরপেক্ষ বিচারককে নিযুক্ত করেছিল. যেমন বিচারকদের মধ্যে ছিল তুর্কী, কিন্তু তুরস্কের কেউ ফাইনালে পৌঁছাতে পারেনি. আমি ছিলাম রাশিয়া থেকে, কিন্তু রাশিয়া থেকেও কেউ কোয়ালিফাই করেনি. মালয়েশিয়ার ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার. বিচারক কমিটির সদস্য সিরিয়া ও সৌদী আরবে অধ্যয়নকারী রাশিয়ার মুফতি ইসলাম-হজরত দাশকিন এই কথা বলেছেন.

ফাইনালের আয়োজন সাধারনতঃ করা হয় মস্কোর অন্যতম সেরা জলসাঘরে কসমস হোটেলে. আগের মতোই এবারেও হল মুসলমানভক্ততে ঠাসা ছিল, যারা মুফতিদের কথাশোনার জন্য ও বিদেশী পাঠকদের কোরান-পাঠ শোনার জন্য ভীড় করেছিল.

ঐ উত্সবের নাম ‘কোরানের উত্সব’. মুহাম্মদ ইবন সাউদ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও জ্যুরিবোর্ডের প্রধান সাউদ আবেদ আল-আজিজ ঐ উত্সবে মুগ্ধ.

 

এটা অসাধারন প্রতিযোগিতা, যা মুসলমানদের আত্মাকে ঐক্যবদ্ধ করে. তাদের সম্মিলিত করে. ৩০টিরও বেশি দেশের কোরান-পাঠকরা এসেছিল, এর কোনো তুলনা হয় না. আমি এই প্রথমবার মস্কোয় এসেছি, আর এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে দেখতে পাচ্ছি, কতখানি উঁচুস্তরে রাশিয়ায় ইসলাম চর্চা করা হয়.

আমি প্রথমবার মস্কোর উত্সবে যোগ দিয়েছি. পরিমন্ডল আমার খুব ভালো লাগছে. এখানে ৩৪টি দেশের প্রতিনিধিরা পাঠ করছে- এটা প্রমাণ করে যে প্রতিযোগিতা সত্যিই আন্তর্জাতিক. এর অশেষ মূল্য, কারন রাশিয়া আরব্য দেশ নয়. আমি হাফিজ পড়া শিখেছি টিউনিশিয়ার উত্তরাঞলে, পরে রাজধানীতে মোল্লা আল্লাহয়.

0কুয়েতের মুহাম্মদ আল-বাকেরও অন্যতম পুরস্কারপ্রাপক, সে ৩য় স্থান অধিকার করেছে. ইয়েমেনের মালিক আবদ আল-মালিক ২য় স্থান অধিকার করেছে. তবে সবাইকে মুগ্ধ করা বিজয়ীর ইব্রাহিম নামক সুরা শুনুন