সিরিয়ার যাত্রীবাহী বিমানে কোনো অস্ত্র ছিল না, যা গত বুধবার মস্কো- দামাস্কাস যাত্রাপথে তুরস্কের ফাইটার বিমানগুলি তুরস্কে নামতে বাধ্য করেছিল. রাশিয়ার অস্ত্র রপ্তানী সংক্রান্ত বিভাগের এক উচ্চপদস্থ প্রতিনিধির উদ্ধৃতি দিয়ে এ সম্বন্ধে বৃহস্পতিবার জানিয়েছে ইন্টারফাক্স সংবাদ এজেন্সি. তিনি উল্লেখ করেন যে, রাশিয়া সিরিয়ার সাথে সামরিক-প্রযুক্তিগত সহযোগিতা থামায় নি. সিরিয়াতে যদি কোনো সামরিক-প্রযুক্তিগত জিনিস অথবা অস্ত্র সরবরাহ করার প্রয়োজন হত, তাহলে তা করা হত নির্ধারিত প্রথায়, বেআইনী উপায়ে নয়, এজেন্সিকে বলেন সংলাপী. আগে জানানো হয়েছিল যে, তুরস্কের বিমানবাহিনী বুধবার সন্ধ্যায় আঙ্কারায় নামতে বাধ্য করেছিল সিরিয়ার একটি যাত্রীবাহী বিমানকে, যা মস্কো থেকে দামাস্কাসে যাচ্ছিল. এ বিমানে, বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, ২৫ থেকে ৩৫ জন যাত্রী ছিল, তাদের মধ্যে রাশিয়ার নাগরিকরাও ছিল. তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আহমেত দউতওগলু বলেন যে, বিমানটিকে বাধ্যতামূলকভাবে নামানো হয়েছিল মালপত্র পরীক্ষার জন্য. তাঁর কথায়, তুরস্কের পক্ষের কাছে তথ্য ছিল যে, বিমানে রয়েছে এমন মালপত্র, যা নাগরিক বিমান পরিবহণ ব্যবস্থার দাবির সাথে সুসঙ্গত নয়. তুরস্কের প্রচার মাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তল্লাসীর সময় বিমানে পাওয়া গেছে যোগাযোগের সরঞ্জাম, রেডিও-রিসিভার এবং বেতার-তরঙ্গে সক্রিয় বাধা সৃষ্টির সরঞ্জাম. এ সব সরঞ্জাম বজেয়াপ্ত করা হয়েছে, এবং তারপরে বিমানটিকে যাত্রা ক্রমানুবর্তনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে.