তুরস্ক প্রতিবেশী সিরিয়ার সাথে যুদ্ধ বাধাতে চায় না, কিন্তু নিজের সীমানা রক্ষা করবে. এ সম্বন্ধে বলেছেন তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী রেজেপ তাইইপ এর্দোগান দেশের পার্লামেন্ট বৃহস্পতিবার দেশের সীমানার বাইরে সামরিক অভিযান চালানো অনুমোদন করার এবং দেশে ব্যাপক যুদ্ধবিরোধী মিছিল হওয়ার পরে. তুরস্ক সিরিয়ার সাথে সীমানায় সামরিক শক্তি সমাবেশ করছে, অন্যদিকে সিরিয়ায় দেড় বছর ধরে সঙ্কট চলছে, যা প্ররোচিত করেছে সরকারবিরোধী শক্তিগুলি এবং যারা সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি আসদের বিদেশী বিরোধীদের সাহায্য পাচ্ছে. এর প্রাক্কালে তুরস্কের আর্টিলারী সিরিয়ার পক্ষের উপর আঘাত হেনেছে তুরস্কের আকচাকালে বসতিতে একটি গোলা বিস্ফোরিত হওয়ার পরে, যা, অনুমান করা হচ্ছে, এসেছে সিরিয়ার তরফ থেকে. সিরিয়ার কর্তৃপক্ষ নিহতদের পরিবারের কাছে সমবেদনা জ্ঞাপন করেছে এবং আশ্বাস দিয়েছে যে, নিজস্ব তদন্ত চালাবে, যাতে নির্ধারণ করা যায় কে তুরস্কের গ্রামে গোলা বর্ষণ করেছিল. নিজের তরফ থেকে তুরস্ক রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে দামাস্কাসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়ে আবেদন করেছে. রাশিয়া সিরিয়ার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করেছে, ভারসাম্যপূর্ণ মীমাংসা খুঁজে বার করার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে. শুক্রবার সকালে রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ তুরস্কের আকচাকালে গ্রামে সিরিয়ার তরফ থেকে তথাকথিত “গোলাবর্ষণের” নিন্দে করেছে. নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা সিরিয়ার কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলির সার্বভৌমত্ব ও ভূভাগীয় অখণ্ডতা শ্রদ্ধা করার দাবি জানিয়েছে. নিরাপত্তা পরিষদের খসড়া সিদ্ধান্ত, যাতে সিরিয়ার ক্রিয়াকলাপকে “শান্তি এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য বিপদ” বলে অভিহিত করা হয়েছে, রাশিয়া অবরোধ করেছে.