সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও উপ-প্রধানমন্ত্রী ওয়ালিদ মুয়াল্লেম বিদ্রোহীদের অস্ত্রে সজ্জিত করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক, কাতার, সৌদি আরব এবং লিবিয়ার উপর দোষারোপ করেছেন. তাঁর কথায়, এই দেশগুলি এবং অন্য আরও কয়েকটি দেশ সিরিয়া সঙ্কট মীমাংসার জন্য আন্তর্জাতিক জনসমাজের প্রচেষ্টা ক্ষুণ্ণ করছে. নিউ-ইয়র্কে রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ অ্যাসেম্বলির অধিবেশনে বক্তৃতা দিয়ে মুয়াল্লেম উল্লেখ করেন যে, দামাস্কাস দেশে রক্তক্ষয় থামানোর জন্য আন্তর্জাতিক জনসমাজের সাথে সর্বদা সহযোগিতা করেছে এবং এখনও করতে প্রস্তুত. তিনি, তাছাড়া, সিরিয়ার সমস্ত বিরোধী দলকে সংলাপের জন্য আহ্বান জানান, এবং যোগ করে বলেন যে, সিরিয়ার কর্তৃপক্ষ সমস্যার রাজনৈতিক মীমাংসায় বিশ্বাস করে. মন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন যে, কিছু কিছু দেশ “সিরিয়ার জনগণের স্বার্থ ও অধিকারের কথা নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করার চেষ্টা করছে”. সেই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, “সিরিয়া নিজের জনগণকে রক্ষা করবে সন্ত্রাসবাদী দলগুলির অপরাধ থেকে, যারা সিরিয়ার সমাজে ভাঙন ঘটাচ্ছে”. মুয়াল্লেমের কথায়, বাইরে থেকে রাষ্ট্রপতি বাশার আসদ-কে উত্খাত করার সমস্ত চেষ্টা ও আহ্বানের কোনো গুরুত্ব নেই. দেশের নেতাকে নির্বাচন করা উচিত সিরিয়ার জনগণের, বাইরের শক্তির নয়, বলেন তিনি. সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাছাড়া তুরস্ক, লেবানন, জর্ডান ও ইরাকের সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে সন্ত্রাসবাদী দলগুলির দ্বারা ভীতি-প্রদর্শনের জন্য সিরিয়াবাসীদের পালানোর সমস্যাও উত্থাপন করেন. তাঁর কথায়, তার পরে এই সিরিয়াবাসীরা উদ্বাস্তু শিবিরে গিয়ে পড়ে, যেখানে তাদের বাস করতে হয় “অ-মানবিক পরিবেশে”. মুয়াল্লেম সিরিয়ার নাগরিকদের আহ্বান জানান “নিজেদের শহরে, গ্রামে, বাড়িতে ফিরতে”, এ কথা উল্লেখ করে যে, সিরিয়ার কর্তৃপক্ষ তাদের নিরাপদে ফেরার গ্যারান্টি দিচ্ছে.