সিরিয়া সমস্যার সামরিক মীমাংসা নেই, বলেছেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সম্পাদক বান কি মুন রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের নিকট প্রাচ্য সংক্রান্ত বৈঠকে. তিনি সমস্ত প্রভাবশালী দেশকে আহ্বান জানান সিরিয়া সঙ্ঘর্ষের পক্ষগুলিকে বোঝাতে যে, অস্ত্রের সাহায্যে তারা সঙ্কট থেকে বের হতে পারবে না. বান কি মুন আরও উল্লেখ করেন যে, সিরিয়ার পরিস্থিতি গোটা অঞ্চলের জন্যই বিপজ্জনক. তাঁর কথায়, রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যদের সঙ্ঘর্ষ মীমাংসার শান্তিপূর্ণ উপায় খোঁজা উচিত্, সঙ্ঘর্ষ বাড়তে দেওয়া উচিত্ নয়. নিজের তরফ থেকে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিরিয়া সম্পর্কে জেনেভা সমঝোতা পালন করার আহ্বান জানান. নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে তিনি উল্লেখ করেন: মস্কোয় আশা করা হচ্ছে যে, এ বছরের ৩০শে জুন জেনেভা ঘোষণাপত্র স্বাক্ষরকারী দেশগুলি নিজেদের স্বাক্ষর ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করবে না. লাভরোভের কথায়, “এমন প্রবণতা আছে আমাদের শরিকদের, যারা সে সব সমঝোতা পুনর্বিবেচনা করতে এবং একতরফা চাপের পথে এগুতে চায়, এ বিষয়ের প্রতি মনোযোগ না দিয়ে যে, সিরিয়ায় পরস্পরের সাথে লড়াই করছে অস্ত্রে সুসজ্জিত লোকেদের দল”. রাশিয়া মনে করে এমন দৃষ্টিভঙ্গী ভুল. লাভরোভ জোর দিয়ে বলেন যে, রক্তক্ষয় চলার জন্য দায়িত্বের যথেষ্ট অংশ সেই সব দেশের উপরও আরোপিত হচ্ছে, যারা আসদের বিরোধীপক্ষকে অগ্নি সংবরণ না করার জন্য উস্কানি দিচ্ছে. রাশিয়ার স্থিতির সাথে একমত ব্রিক্স গ্রুপের অন্যান্য দেশও – ব্রাজিল, ভারত, চীন এবং দক্ষিণ আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র. লাভরোভ মনে করিয়ে দেন যে, এ গ্রুপের দেশগুলির পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সাক্ষাতের ফলাফলের ভিত্তিতে গৃহীত যৌথ ঘোষণাপত্রে তারা সিরিয়ায় সঙ্ঘর্ষরত পক্ষগুলিকে একসঙ্গে অস্ত্র সংবরণ করে আলাপ-আলোচনার টেবিলে বসার প্রয়োজনীয়তা সম্বন্ধে নির্দেশ করেছে. নিজের তরফ থেকে মার্কিনী পররাষ্ট্র সচিব হিলারী ক্লিন্টন নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে সিরিয়া সম্পর্কে ওয়াশিংটনের স্থিতি পুনরায় সমর্থন করেন. তিনি বলেন যে, সিরিয়ায় যে রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রয়োজন আছে, তা দেশের রাষ্ট্রপতি বাশার আসদের অংশগ্রহণ ছাড়াই হওয়া উচিত্. ক্লিন্টন রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদকে আহ্বান জানান সিরিয়ায় সমস্যা সম্পর্কে একক স্থিতি প্রণয়নের নতুন প্রচেষ্টা করার.