চীন ও জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা পূর্ব চীনা সাগরে বিতর্কিত দ্বীপগুলি নিয়ে নিউ-ইয়র্কে কঠিন আলাপ-আলোচনা চালিয়েছেন, কিন্তু এ সাক্ষাতে প্রগতি অর্জন করা যায় নি. চীনের মন্ত্রী ইয়ান জেচি আলাপ-আলোচনায় দিয়াওইউইদাও দ্বীপপুঞ্জকে (সেনকাকু) চীনের “পবিত্র ভূমি” বলে অভিহিত করেন এবং জাপানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন চীনা গণ-প্রজাতন্ত্রের ভূভাগীয় অখণ্ডতা “রূঢ়ভাবে লঙ্ঘন” করার. চীন বিক্ষুব্ধ হয়েছিল যে, জাপানের সরকার সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জের (যেমন তাকে বলে জাপানীরা) জনহীন দ্বীপগুলি কিনেছে. ইয়ান জেচি জোর দিয়ে বলেন যে, তা করা হয়েছে “চীনের আবেদন ও চূড়ান্ত প্রতিবাদ সত্ত্বেও”. তিনি যোগ করে বলেন যে, জাপানের উক্ত পদক্ষেপ হয়ে উঠেছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ফলাফলের “প্রত্যক্ষ প্রত্যাখান” এবং “যুদ্ধ-পরবর্তী বিশ্ব ব্যবস্থার গুরুতর চ্যালেঞ্জ”. জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কোইতিরো গেমবা বলেন যে, এটি ছিল অতি জটিল আলাপ-আলোচনা. রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ অ্যাসেম্বলির অধিবেশনের নেপথ্যে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাত্ চলে প্রায় এক ঘন্টা, এবং তাতে গেমবা চীনকে সংযম প্রকাশের আহ্বান জানান. পরে জাপান সরকারের প্রদান সচিব ওসামু ফুজিমুরা টোকিও-তে বলেন যে, উভয় পক্ষ সমস্ত পর্যায়ে আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছে, যাতে সমস্যার মীমাংসা খুঁজে বার করা যায়. জাপান ও চীন কয়েক দশক ধরে পূর্ব চীনা সাগরের এ দ্বীপপুঞ্জের সত্ত্বাধিকার নিয়ে দাবি জানাচ্ছে. উত্তেজনা আবার জেগে ওঠে দু সপ্তাহ আগে, চীনে জাপান-বিরোধী প্রতিবাদ আন্দোলনের জোয়ারে.