তুরস্ক মনে করে যে, সিরিয়ার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক জনসমাজের যেকোনো সিদ্ধান্ত রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন ক্রমে গ্রহণ করা উচিত্. সেইজন্য সিরিয়া সঙ্কটের মীমাংসা বহু মাত্রায় নির্ভর করছে রাশিয়া ও চীনের ভবিষ্যত্ স্থিতির উপর, যারা নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য. এ সম্বন্ধে “ওয়াশিংটন পোস্ট” পত্রিকাকে প্রদত্ত ইন্টারভিউতে বলেছেন তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী রেজেপ তাইইপ এর্দোগান. তুরস্কের সাথে সীমান্ত বরাবর উড্ডয়ন বর্জিত এলাকা গঠন সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তরে এর্দোগান জোর দিয়ে বলেন যে, “সে ক্ষেত্রে রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ হবে”. তিনি উল্লেখ করেন, তিনি জানেন না, এমন পদক্ষেপ রাশিয়া ও চীন সমর্থন করবে কি না. তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী ন্যাটো জোটের পৃষ্ঠপোষকতায় সিরিয়ায় উড্ডয়ন বর্জিত এলাকা গঠনের ধারণা প্রত্যাখান করেন. তিনি তাছাড়া ইঙ্গিত দেন যে, তুরস্ক অস্ত্র সরবরাহ করে সিরিয়ার বিরোধীপক্ষকে প্রত্যক্ষ সাহায্য করার পরিকল্পনা করছে না.আঙ্কারা সিরিয়ার বিরোধীপক্ষকে শুধু “লজিস্টিক সহায়তা” করে যাবে, আর তাছাড়া সিরিয়ার শরণার্থীদের খাদ্যদ্রব্য ও ওষুধপত্র সরবরাহ করবে. এর্দোগান স্থিরবিশ্বাস প্রকাশ করেন যে, সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি বাশার আসদ আগে হোক পরে হোক শাসন ক্ষমতা হারাবেন, এর উপর জোর দিয়ে যে, “এটাও নির্ভর করছে রাশিয়া ও চীনের স্থিতির উপর”. এর্দোগান জোর দিয়ে বলেন যে, সিরিয়ার ভবিষ্যত্ নিরূপিত হওয়া উচিত্ “জনসাধারণের ইচ্ছা প্রকাশ অনুযায়ী”.