ব্রাসেলসে বৃহস্পতিবার পঞ্চদশ ইউরোসঙ্ঘ-চীন শীর্ষ সাক্ষাত্ অনুষ্ঠিত হবে. এ শীর্ষ সাক্ষাতের প্রাক্কালে ইউরোসঙ্ঘের সভাপতি হেরমান বান রম্পেই বলেন যে, পৃথিবীকে অর্থনৈতিক ও আর্থিক সঙ্কট অতিক্রমে সাহায্য করার জন্য ইউরোপ নিজের দায়িত্বের অংশ গ্রহণ করছে. তাঁর কথায়, ইউরোসঙ্ঘ-চীন শীর্ষ সাক্ষাত্ ইউরোসঙ্ঘ ও চীনকে অর্থনীতির অবস্থা সম্পর্কে এবং অর্থনৈতিক কাঠিন্য অতিক্রমের জন্য বেজিং ও ব্রাসেলসের প্রচেষ্টা সমাবেশ সম্পর্কে আলাপ-আলোচনার সুযোগ দিচ্ছে. ভান রম্পেই ইউরো-কমিশনের প্রধান জোজে মানুয়েল বারোজু-র সাথে এ শীর্ষ সাক্ষাতে ইউরোসঙ্ঘের প্রতিনিধিত্ব করবেন. চীনা পক্ষ থেকে অংশগ্রহণ করবেন চীনের রাষ্ট্রীয় পরিষদের প্রধানমন্ত্রী ভ্যান জিয়াবাও. ব্রাসেলসে উল্লেখ করা হচ্ছে যে, এ সাক্ষাত্ এমন সময়ে হচ্ছে, যখন ক্রমাগত অনির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে বিশ্ব অর্থনৈতিক বৃদ্ধিতে মন্থরতা পরিলক্ষিত হচ্ছে. উভয় পক্ষই উপলব্ধি করছে যে, এখন তাদের স্ট্র্যাটেজিক শরিকানা বৃদ্ধি চালিয়ে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ, যাতে কঠিন সঙ্কট-কাল সফলভাবে অতিক্রম করা যায়. আলোচ্য-সূচিতে আছে দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও বিশ্বব্যাপী সব সমস্যা. তাছাড়া আলোচিত হবে শহর-কেন্দ্রিকতা এবং জ্বালানী ও বিদ্যুত্শক্তির ক্ষেত্রে সহযোগিতা. কথা হবে নতুন সব ক্ষেত্র সম্বন্ধে, যেখানে চুক্তি সম্পাদন করা যাবে. পক্ষদ্বয় সিরিয়ার পরিস্থিতি এবং ইরান-কে কেন্দ্র করে পরিস্থিতিও আলোচনা করবেন. তাছাড়া, বড় কুড়ি-র কাঠামোতে ও আবহাওয়ার সমস্যা নিয়ে আলোচনা হবে, জানানো হয়েছে ইউরোপীয় পরিষদের প্রেস-সার্ভিসে. ঐ দিনই ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত হবে ইউরোসঙ্ঘ-চীন বাণিজ্যিক শীর্ষ সাক্ষাত্.