রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সম্পাদক বান কি মুন চীন ও জাপানকে আহ্বান জানিয়েছেন ভূভাগীয় বিতর্ক শান্তিপূর্ণ উপায়ে মীমাংসা করার এবং এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়তে না দেওয়ার. রাষ্ট্রসঙ্ঘের সদর দপ্তরে বুধবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক উল্লেখ করেন যে, এ অঞ্চলের পরিস্থিতির বিকাশের উপর মনোযোগ সহকারে লক্ষ্য রাখছেন. জাপানের সরকার ১১ই সেপ্টেম্বর দিয়াওইউইদাও (জাপানী নাম সেনকাকু) দ্বীপপুঞ্জের তিনটি দ্বীপ কিনে নেয় ব্যক্তিগত মালিক জাপানী পরিবারের কাছ থেকে. বেজিংয়ে এ ক্রিয়াকলাপকে চীনের সার্বভৌমত্ব ও ভূভাগীয় অখণ্ডতা ক্ষুণ্ণ করা হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়, যার পরে কর্তৃপক্ষের জোরালো বিবৃতি এবং জনসমাজের ব্যাপক আন্দোলন দেখা দেয়. চীনের কর্তৃপক্ষ টোকিও-কে আহ্বান জানাচ্ছে বিতর্কিত দ্বীপগুলি সম্পর্কে নিজের সিদ্ধান্ত বাতিল করতে. নিজের তরফ থেকে জাপানের কর্তৃপক্ষ চীনকে প্রস্তাব করেছে ভূভাগীয় বিতর্ক মীমাংসার উদ্দেশ্যে দু দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের পর্যায়ে আলাপ-আলোচনা শুরু করতে. টোকিও এ মাসেই রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ অ্যাসেম্বলির অধিবেশনের কাঠামোতে জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কোইতিরো গেমবা-র সাথে চীনের সহকর্মী ইয়ান জেচি-র সাক্ষাত্ আয়োজন করতে চায়, জানিয়েছে জাপানের পত্রিকা “মাইনিটি সিম্বুন”. এর প্রাক্কালে চীনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী লিয়ান গুয়ানলে বলেন যে, বেজিং জাপানের সাথে বিতর্ক মীমাংসার সমস্ত ধরণ বিবেচনা করছে, সেই সঙ্গে সামরিক পথও. তবুও, তিনি এ আশা প্রকাশ করেন যে, এ সমস্যা কূটনৈতিক উপায়ে মীমাংসা করা যাবে.