ইস্তাম্বুলে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত তেহেরানের প্রতিনিধিদের সাথে ইউরোসঙ্ঘের কূটনীতির প্রধান ক্যাথ্রিন অ্যাশটনের আলাপ-আলোচনা “ফলপ্রসূ” হয়েছে, যাতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি আলোচিত হয়েছিল. এ সম্বন্ধে বলেছেন ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব সইদ জালালি বুধবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে, যা স্থানীয় টেলিভিশনও প্রচার করেছিল. ইরানী প্রতিনিধিদলের প্রধানের কথায়, ইস্তাম্বুল সাক্ষাতে আলোচিত হয়েছিল মস্কোয় মধ্যস্থ “ছয় দেশের” সাথে তেহেরানের আলাপ-আলোচনার ফলাফল এবং “পরবর্তী প্রক্রিয়া”. জালালি আরও জানান যে, অ্যাশটনের সাথে সাক্ষাতের ফলাফল মধ্যস্থ “ছয় দেশের” প্রতিনিধিদের সাথে আলোচনা করতে চান. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, পাশ্চাত্যের একসারি দেশ এবং ইস্রাইল ইরানের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক কর্মসূচির আড়ালে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করার. তেহেরান এ সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করছে, এ কথা ঘোষণা করে যে, তার পারমাণবিক কর্মসূচি নির্দেশিত শুধু দেশের বিদ্যুত্শক্তির চাহিদা পুরণ করার জন্যই. মধ্যস্থ “ছয় দেশ”, যাতে অন্তর্ভুক্ত রাশিয়া, গ্রেট-বৃটেন, চীন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও জার্মানির প্রতিনিধিরা, ২০০৩ সাল থেকে আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি এজেন্সির সাথে একত্রে ইরানের কাছ থেকে ইউরেনিয়ামের পরিশোধনের কাজ থামানোর চেষ্টা করছে, যা পারমাণবিক অস্ত্র প্রসার নিরোধের ব্যবস্থার জন্য বিপজ্জনক.