ভারতে ক্ষমতাসীন ঐক্যবদ্ধ প্রগতিশীল জোট ভাঙনের সীমারেখায়, সরকারের দ্বারা শুরু করা সংস্কারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ স্বরূপ “তৃণমূল কংগ্রেস” পার্টির জোট ছেড়ে যাওয়ার কথা ঘোষণার পরে. টেলি-চ্যানেল “এন.ডি.টি.ভি” জানিয়েছে যে, নিকট ভবিষ্যতে মন্ত্রী-পরিষদে “তৃণমূল কংগ্রেসের” সদস্যরা প্রধানমন্ত্রীকে নিজেদের পদত্যাগের কথা জানাবেন. “তৃণমূল কংগ্রেস” পার্টির নেত্রী, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি আগে ঘোষণা করেছিলেন যে, “সরকারের গণ-বিরোধী সিদ্ধান্ত” সমর্থন করেন না. মমতা ব্যানার্জির অসন্তোষ, বিশেষ করে, জাগিয়েছে মাল্টি-ব্র্যান্ড খুচরো বাণিজ্যের ক্ষেত্রে কাজ করা যৌথ প্রতিষ্ঠানে বিদেশী বিনিয়োগকারীদের ৫১ শতাংশ শেয়ার রাখার অনুমতি দান সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত. এ সিদ্ধান্ত ওয়ালমার্ট, ক্যারেফোর, টেসকো, মেট্রো ইত্যাদির মতো বিশ্বখ্যাত খুচরো বাণিজ্যিক নেটওয়ার্কের জন্য ভারতীয় বাজার উন্মুক্ত করবে. আর ভারতে অনেকেই বিদেশী প্রতিদ্বন্দ্বীর আগমনে গুরুতরভাবে উদ্বিগ্ন, যারা স্থানীয় ক্ষুদে ব্যবসায়ীদের দেউলিয়া করে দিতে পারে. তাছাড়া “তৃণমূল কংগ্রেস” সরকারের উপর দোষারোপ করছে যে, সরকার ডিজেল জ্বালানীর উচ্চ মূল্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করছে না. তবুও, ব্যানার্জি বলেন যে, সরকারকে সমর্থন করায় ফিরতে প্রস্তুত, যদি মন্ত্রী-পরিষদ পরিকল্পিত সংস্কার ত্যাগ করে.