পাকিস্তান আবার ৭০০ কিমি. দূরত্ব পর্যন্ত পারমানবিক ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম, এরকম রকেট পরীক্ষা করেছে. পাঞ্জাব প্রদেশের এক সামরিক ঘাঁটি থেকে রকেটটি নিক্ষেপ করা হয়. পাক প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি অনুযায়ী নিক্ষেপ সফল হয়েছে. সবিষদে পড়ুন আমাদের পর্যবেক্ষক গেওর্গি ভানেতসোভের পর্যালোচনা.

ডানাশুদ্ধ হাতফ-৭ বা বাবর নামক রকেট পাকিস্তানের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি. রকেট বানানো হয়েছে স্টেলস প্রযুক্তি মাফিক, যার ফলে রাডারদের পক্ষে তাদের নির্ণয় করা খুব শক্ত. আরও একসারি পরীক্ষামুলক নিক্ষেপের পরে প্রত্যাশা করা হচ্ছে, যে ঐ সব রকেট সেনাবাহিনীতে নেওয়া হবে.

ভারতেরও ব্রামোস নামক অনুরূপ ডানাসমেত রকেট আছে. ভারতের পদাতিক ও নৌবাহিনীকে ওরকম রকেট দেওয়া হয়েছে. ভারতের এয়ারফোর্সকেও ঐ রকম রকেট দেওয়ার পরিকল্পনা আছে. গতমাসে শেষবার নিক্ষেপ পরীক্ষা করা হয়েছে.

সাধারনতঃ ভারত ও পাকিস্তান প্রতিবেশী দেশ অস্ত্র পরীক্ষা করার পরে পরেই নিজেরা পরীক্ষা করে. পারমানবিক অস্ত্রের ক্ষেত্রেও এটা খাটে. ভারত ও পাকিস্তান ১৯৯৮ সালের মে মাসে প্রায় একইসাথে পারমানবিক বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ছিল. তারপর থেকে ২ দেশের পারমানবিক শক্তির ভান্ডার বহুমাত্রায় বেড়েছে. গত এপ্রিলে ভারত অগ্নি-৫ নামক অন্তর্মহাদেশীয় ব্যালেস্টিক রকেট নিক্ষেপ করার পরে রাশিয়া, আমেরিকা, ফ্রান্স, বৃটেন ও চীনের সাথে একসারিতে পৌঁছেছে. বিশ্বে অন্য কারো এমন রকেট নেই.

ভারত ও পাকিস্তান কেউই একে অপরের বিরুদ্ধে পারমানবিক অস্ত্র প্রয়োগ করতে চায় না, ওসব প্রতিশোধ নেওয়ার দরকার পড়লে মজুত করা আছে, সামরিক হাই-টেকের বিকাশ ঘটানো হচ্ছে.