তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী রেজেপ তাইইপ এর্দোগান সিরিয়ায় ক্ষমতাসীন ব্যবস্থার উপর রাজনৈতিক চাপ বাড়ানোর প্রস্তাব করছেন. ইয়াল্টায় “ইয়াল্টার ইউরোপীয় স্ট্র্যাটেজি” নামে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বক্তৃতা দিয়ে এর্দোগান জোর দিয়ে বলেন যে, সিরিয়ায় যা ঘটছে, তা হল একনায়ক শাসনের বিরুদ্ধে জনগণের সংগ্রাম, বিদেশী শক্তির প্রভাবের ফল নয়, আর তা দেখা দিয়েছে কয়েক দশক ধরে “একনায়ক শাসন ব্যবস্থার” দ্বারা জনসাধারণের উপর অত্যাচারের দরুণ, যেমন তা ঘটেছে লিবিয়ায় এবং মিশরে. তাঁর মতে, কোনো শাসন ব্যবস্থা এ গণ-প্রতিবাদ থামাতে সক্ষম নয়. এর্দোগানের কথায়, আঙ্কারা যোগাযোগ রাখছে সিরিয়ার বিরোধীপক্ষের সাথে এবং আন্তর্জাতিক জনসমাজের সাথে, যাতে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সিরিয়ায় গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থার পত্তন সুনিশ্চিত করা যায়. তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী তাছাড়া অঞ্চলের অন্যান্য রাষ্ট্রে সশস্ত্র সঙ্ঘর্ষ প্রসারের অগ্রহণীয়তার কথাও বলেছেন, এ কথা উল্লেখ করে যে, এর জন্য দায়িত্বের যথেষ্ট অংশ আরোপিত হচ্ছে রাষ্ট্রসঙ্ঘের উপর এবং বিশেষ করে রাশিয়া ও চীনের উপর, যারা রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে সিরিয়া সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত একাধিকবার অবরোধ করেছিল. সিরিয়ায় সঙ্ঘর্ষ চলছে ২০১১ সালের মার্চ থেকে.