চীনের বেশির ভাগ অধিবাসী মনে করে যে, দিয়াওইউইদাও (সেনকাকু) দ্বীপগুলিকে জাতীয়কৃত করা জাপানের সাথে বিতর্ক মীমাংসা করা যেতে পারে বলপ্রয়োগের পদ্ধতিতে. এর প্রমাণ হল মত-সংগ্রহের ফলাফল, যার আয়োজন করেছে ইন্টারনেট-পোর্টাল Sina.com. মত দাতাদের ৮৬ শতাংশ দিয়াওইউইদাও দ্বীপগুলিকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি কিভাবে মীমাংসা করা যায়, তার উত্তরে বলেছে যুদ্ধের দ্বারা. শুধু ১১.৮ শতাংশ মত দাতা বলেছে – আলাপ-আলোচনার পথে, আর ২.১ শতাংশ লোকের মুস্কিল হয়েছে উত্তর দিতে. ৮৪ শতাংশেরও বেশি লোক স্বীকার করেছে যে, শেষ ঘটনাবলির আলোকে জাপানের সাথে তাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে, আর প্রায় ৮৭ শতাংশ লোকে জাপানী পণ্যদ্রব্য বয়কট করতে চায়. জাপানের সরকার ১১ই সেপ্টেম্বর দিয়াওইউইদাও দ্বীপপুঞ্জের (জাপানী নাম সেনকাকু) চীনের সাথে বিতর্কিত পাঁচটি দ্বীপের মধ্যে তিনটিকিনে নিয়েছে ব্যক্তিগত মালিক – এক জাপানী পরিবারের কাছ থেকে. বেজিং এ জাতীয়করণকে বেআইনী এবং অকার্যকরী বলে ঘোষণা করেছে, এ দ্বীপগুলি ঐতিহাসিকভাবে চীনের এ কথা জাপান-কে মনে করিয়ে দিয়ে. চীনের বিভিন্ন শহরে জাপানী কর্তৃপক্ষের ক্রিয়াকলাপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আন্দোলন চলছে. চীনের রাজধানীতে জাপানের দূতাবাসের কাছে আজ তৃতীয় দিন এ দ্বীপপুঞ্জের উপর চীনের সার্বভৌমত্বের রক্ষায় মিটিং হচ্ছে. এ উপলক্ষে স্থানীয় প্রচার মাধ্যম জানাচ্ছে যে, বৃহস্পতিবার থেকে জাপানী কূটনৈতিক মিশনের চারপাশে সামাজিক যান-বাহনের থামা বন্ধ, আর তাছাড়া সাইকেলের পথ ও ফুটপাতগুলি অবরুদ্ধ করা হয়েছে. দূতাবাসের এলাকার বাড়তি রক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে.