প্রযুক্তিজাত বিপর্যয়, জাহাজ ও সামুদ্রিক প্ল্যাটফর্মে কাজ করার উপযুক্ত সবচেয়ে নতুন বিমান ও হেলিকপ্টার প্রদর্শনী করা হয়েছে “হাইড্রো-অ্যাভিয়েশন প্রদর্শনী – ২০১২” উপলক্ষে. কৃষ্ণ সাগর তীরের শহর গেলেনঝিকে এই প্রদর্শনী হয়েছে.

গেলেনঝিকে হাইড্রো- অ্যাভিয়েশন প্রদর্শনী – এটা বিশ্বের একমাত্র এই ধরনের প্রদর্শনী, যেখানে শুধু এই ধরনের বিমান ও উড়ানের নানা রকমের যান প্রদর্শনী করা হয়ে থাকে. এই বছরে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হয়েছে উভচর বিমানের প্রতি আর তারই সঙ্গে অগ্নি নির্বাপণের বিমান ব্যবস্থার প্রতি. “উড়ান” (“ভ্জ্লিয়ত”) নামের জার্নালের প্রধান সম্পাদক আন্দ্রেই ফোমিন এই প্রসঙ্গে বলেছেন:

“আমাদের বিমান নির্মাণ শিল্প বর্তমানে সারা বিশ্বেরই আগ্রহী গ্রাহকদের এক বিরল ধরনের উভচর বিমান “বে – ২০০চেএস” পেশ করেছে, যা দাবানল নেভানোর জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে”.

এই বিরল রকমের আগুন নেভানোর বিমান তার খোলে ১২ টন জল নিতে পারে. এই বিমান শুধু বিমান বন্দরেই জল ভরে না. সেটা এমনকি যে কোন ধরনের জলাশয়, যার গভীরতা তিন মিটারের বেশী, তা থেকেই জলের উপরে পিছলে যেতে যেতে ১৪ সেকেন্ডে এত পরিমানে জল ভরে নিতে পারে. কিন্তু “বে- ২০০” ধরনের বিমানের একমাত্র ব্যবহার শুধু আগুন নেভানোর জন্যই নয়. এই ধরনের বিমান পাহারাদারীর কাজে ব্যবহার করা হলে, সমুদ্র তীরবর্তী ও সামুদ্রিক এলাকায় পাহারার কাজও করতে পারে সফল ভাবেই. এই বারের বিমান প্রদর্শনীতে “বে” ধরনের বিমান ঐতিহ্য মেনেই একটি প্রধান প্রদর্শনীর বিষয় বস্তু হতে চলেছে, তবে তা শুধু একমাত্র দ্রষ্টব্য নয়. এই কথা উল্লেখ করে আন্দ্রেই ফোমিন যোগ করে বলেছেন:

““বেরিয়েভ” কোম্পানী নির্মিত সমস্ত রকমের উভচর বিমান এখানে দেখানো হবে. এই কোম্পানী হাইড্রো-অ্যাভিয়েশন বিভাগের প্রধান নির্মাতা. তার সঙ্গে থাকবে আরও অনেক হাল্কা উভচর বিমানও... পরিকল্পনা রয়েছে এখানে বিমান ও হেলিকপ্টারের বড় শো দেখানোর, যে গুলি জল থেকে সরাসরি উড়তে না পারলেও, বিভিন্ন ধরনের কাজের জন্যই ব্যবহার যোগ্য, যা সমুদ্রে ও তীর এলাকায় কাজে লাগে. অংশতঃ, এখানে হেলিকপ্টার প্রযুক্তি দেখানো হবে, যা তীর থেকে দূরেও কাজ করতে সক্ষম. বর্তমানে এই ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে সমুদ্র ও মহা সমুদ্রের খনিজ তেল ও গ্যাস খনন ও উত্তোলন প্ল্যাটফর্মের জন্য”.

0রাশিয়াতে হাইড্রো-অ্যাভিয়েশন – বিমান নির্মাণ শিল্পের এক ঐতিহ্যময় গুরুত্বপূর্ণ দিক. সমস্ত দেশ, যারা বিমান নির্মাণ করে তাদের মধ্যে মোটেও সমস্ত দেশ নিজেদের উভচর বিমান নির্মাণে সফল করতে পারে না.