ভ্লাদিভস্তোকে এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থার শীর্ষ সম্মেলনের কাঠামোতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োসিহিকো নোদা এবং চীনা গণ-প্রজাতন্ত্রের সভাপতি হু জিনতাওয়ের দ্বিপাক্ষিক সাক্ষাতের সম্ভাবনা কম. নোদা তাছাড়া দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি লি মেন বাকের সাথেও সাক্ষাত্ করতে চান না, জানিয়েছে জাপানের প্রচার মাধ্যম সরকারী উত্স উদ্ধৃত করে. একই সঙ্গে, সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জোর দিয়ে বলা হয়েছে যে, শীর্ষ সম্মেলনের সময় জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের সূচি “এখনও আলোচিত হচ্ছে”. আগে অনুমিত সাক্ষাত্ বাতিলের কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে পূর্ব চীনা সাগরে এবং জাপান সাগরে দ্বীপগুলি সম্পর্কে জাপান ও চীনের, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার পারস্পরিক ভূভাগীয় দাবি. চীন-জাপান ভূভাগীয় বিতর্কের বিষয় হল দিয়াওইউইদাও (জাপানী নাম – সেনকাকু) দ্বীপপুঞ্জ. চীন দক্ষিণ চীনা সাগরে এ দ্বীপপুঞ্জের উপর নিজের সন্দেহাতীত সার্বভৌমত্বের উপর জোর দিচ্ছে, আবার টোকিও একে নিজের ভূভাগ হিসেবে বিবেচনা করে. সমস্যাটি তীব্র হয়ে ওঠে ব্যক্তিগত মালিকের কাছ থেকে এ দ্বীপপুঞ্জের একাংশ জাপান সরকারের দ্বারা কিনে নেওয়ার অভিপ্রায়ের ফলে. টোকিও থেকে উত্সরা জানিয়েছে যে, এ চুক্তি বাস্তবিকভাবে তৈরী বলা যায়. লি মেন বাকের সাথে নোদা-র সাক্ষাতে অস্বীকারকে বিবেচনা করা হচ্ছে তক্তো (তাকেসিমা) দ্বীপপুঞ্জে, উভয় রাষ্ট্র যার দাবি করছে, দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতির সফরে প্রতিবাদ হিসেবে. তাছাড়া, জাপানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে ঘোষণা করা হয়েছে যে, প্রতিবাদ হিসেবে জাপান সামরিক ক্ষেত্রে বিনিময়ের কর্মসূচি স্থগিত রেখেছে, আর তাছাড়া আর্থিক প্রশ্নে জাপান-দক্ষিণ কোরীয় সংলাপ অনির্দিষ্ট কালের জন্য মুলতুবি রাখা হয়েছে.