0রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সম্পাদক বান কি মুন মনে করেন যে, রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের নিষ্ক্রিয়তাই সিরিয়ায় পরিস্থিতি তীব্র হওয়ার কারণ. সাধারণ অ্যাসেম্বলির কাঠামোতে এক বেসরকারী সংলাপে বান কি মুন বলেন যে, আন্তর্জাতিক জনসমাজ দর্শক হয়ে পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না, যখন কোথাও রক্তক্ষয় হচ্ছে এবং হিংসাত্মক ক্রিয়াকলাপ চলছে. তিনি যোগ করে বলেন যে, “সার্বভৌমত্ব কোনো দেশের জন্য আড়াল হয়ে থাকতে পারে না, যেখানে নিজের দেশের জনগণের বিরুদ্ধে কঠোর অপরাধ করা হচ্ছে”, এবং তিনি আন্তর্জাতিক জনসমাজকে আহ্বান জানান সিরিয়াবাসীদের কষ্টে চোখ বন্ধ করে না থাকার. বুধবার রাষ্ট্রসঙ্ঘের সদস্য দেশগুলি সংলাপের কাঠামোতে রক্ষার দায়িত্ব সংক্রান্ত ধারণা আলোচনা করেছে. রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সম্পাদক মনে করিয়ে দেন যে, রাষ্ট্রসঙ্ঘের সংবিধিতে সপ্তম অধ্যায় আছে. তাতে নিষেধাজ্ঞা প্রবর্তন অনুমিত, এবং অন্তিম ক্ষেত্রে – অন্যান্য রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বল প্রয়োগও অনুমিত, যদি শান্তিপূর্ণ উপায়গুলি যথেষ্ট না হয় এবং জাতীয় শাসনের সংস্থাগুলি গণহ্ত্যা, সামরিক অপরাধ, নৃকূলগত শুদ্ধিকরণ এবং মানব জাতির বিরুদ্ধে নিজেদের জনসাধারণকে রক্ষা করতে সক্ষম না হয়. আগে পাশ্চাত্য নিরাপত্তা পরিষদের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত পাশ করানোর চেষ্টা করেছিল, যাতে রাষ্ট্রসঙ্ঘের সংবিধির সপ্তম অধ্যায় অনুযায়ী, সিরিয়ার বিরুদ্ধে বলপ্রয়োগ অনুমিত, এবং তা বিদেশী হস্তক্ষেপের জন্য পথ উন্মুক্ত করত. সিরিয়ার আভ্যন্তরীন সঙ্ঘর্ষে যেকোনো বিদেশী হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে, দেশে বলপূর্বক শাসন ক্ষমতা পরিবর্তনের বিরুদ্ধে একনিষ্ঠভাবে মত প্রকাশ করা রাশিয়া ও চীন রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের এমন সিদ্ধান্তে তিনবার ভেটোর অধিকার খাটিয়েছিল.