সিরিয়ায় ২৫ লক্ষেরও বেশি লোকের জরুরী সাহায্য ও রক্ষা প্রয়োজন, জানিয়েছে রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানবতাবাদী প্রশ্নের সমন্বয় সাধন বিভাগ. কিন্তু এসব লোকেদের সাহায্য দান ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে দেশের বহু অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা বাড়ার জন্য, বলা হয়েছে রাষ্ট্রসঙ্ঘের এ বিভাগের দ্বারা প্রকাশিত রিপোর্টে. রাষ্ট্রসঙ্ঘের বিশেষজ্ঞরা ক্রমবর্ধমান সামরিক প্রহরা- চৌকি, এবং প্রবেশ-কেন্দ্রের এবং সিরিয়ায় যাওয়ার রাস্তা বন্ধ থাকার খবর জানাচ্ছে, যা প্রয়োজন থাকা লোকেদের কাছে সাহায্য পৌঁছোনোর সম্ভাবনা কঠিন করে তুলছে. রাষ্ট্রসঙ্ঘের বিভাগ মানবতাবাদী সংস্থার কর্মীদের সেই সব এলাকায় যাওয়া সহজ করার আহ্বান জানাচ্ছে, যেখানে সামরিক ক্রিয়াকলাপ চলছে. রিপোর্টে তাছাড়া বলা হয়েছে যে, উদ্বাস্তুদের জন্য সিরিয়ায় আশ্রয় খুঁজে পাওয়া ক্রমেই কঠিন হয়ে উঠছে. বহু বসত-বাড়ি এবং ধ্বংস হয়েছে. হোমস, হামা, ডেরাআ ও ইদলিবের মতো একসারি শহরে প্রবর্তিত কার্ফিউ লোকেদের পানীয় জল, খাদ্যদ্রব্য ও ওষুধপত্র জোগাড় করার সম্ভাবনা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, জোর দিয়ে বলা হয়েছে রিপোর্টে. তাছাড়া, রাষ্ট্রসঙ্ঘের এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, সিরিয়ার সঙ্ঘর্ষ প্রত্যক্ষভাবে স্পর্শ করেছে ২ লক্ষ ২৫ হাজার প্যালেস্টাইনীকে, যাদের একাংশ পালিয়েছে লেবাননে এবং জর্ডানে. জর্ডানের কর্তৃপক্ষের মূল্যায়ন অনুযায়ী, এদেশে সিরিয়া থেকে আসা শরণার্থীদের সংখ্যা প্রতি সপ্তাহে ১০ হাজার জন করে বাড়ছে. সিরিয়ার শরণার্থীরা ইউরোপে আশ্রয় পাওয়ারও চেষ্টা করছে. এ বছরের জানুয়ারী থেকে জুন অবধি ১২ হাজারেরও বেশি সিরিয়াবাসী ইউরোসঙ্ঘের সদস্য দেশগুলিতে আশ্রয় দেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে আবেদন করেছে.