সংস্থার ২১টি দেশ থেকে ১০০রও বেশী যুব প্রতিনিধির উপস্থিতিতে আজ থেকে শুর হয়েছে সম্মেলন. সেখানে ২- ৪ই সেপ্টেম্বর এই এলাকার দেশ গুলির অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধানের প্রচেষ্টা এই যুব প্রতিনিধিরা প্রস্তাব আকারে প্রকাশের ব্যবস্থা করবেন. যুব সম্মেলনের কাজ বিতর্কের ও প্রশ্নোত্তর রূপে হবে ও এখানে উপস্থিতি যুব প্রতিনিধিরা কূটনৈতিক অভিজ্ঞতা লাভের জন্য বিভিন্ন দেশের বর্তমানের নেতা ও ভবিষ্যতের নেতৃত্বের সঙ্গে পরিচিত হওয়া সুযোগ পাবেন, তারা একই সঙ্গে ব্যাবসায় নেতৃস্থানীয় মানুষদের সঙ্গেও পরিচিত হবেন, তাছাড়া থাকবে এই এলাকার দেশ গুলির বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক নেতৃত্বের সঙ্গেও পরিচিত হওয়ার সুযোগ. যুব শীর্ষ সম্মেলনের পরবর্তী অধ্যায়ে ৫ থেকে ৯ই সেপ্টেম্বর যুব নেতাদের জন্য এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থার ভবিষ্যতের কন্ঠস্বর নামেও অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে – এটি এক বাত্সরিক অনুষ্ঠান, যার ফলে অংশগ্রহণকারীরা এই সংস্থার শীর্ষ সম্মেলনে উপস্থিত হওয়ার সুযোগ পেয়ে থাকেন. এর ফলে উন্নতি পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমৃদ্ধির উদ্দেশ্য এক কথোপকথন চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়. সুদূর প্রাচ্য রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ভবনে এই শীর্ষ সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছে. এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের স্বাগত জানিয়ে বক্তৃতা দিয়েছেন প্রিমোরস্ক অঞ্চলের রাজ্যপাল ভ্লাদিমির মিকলুশেভস্কি ও এই রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেক্টর সের্গেই ইভানেত্স. রাজ্যপাল অভ্যর্থনা জানিয়ে আশা প্রকাশ করেছেন যে, যেন এই যুব শীর্ষ সম্মেলনের প্রস্তাবিত ধারণাগুলি ও প্রস্তাব সমষ্টি এই সংস্থার শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণকারী নেতৃত্বের সমর্থন পায়. তিনি একই সঙ্গে এই ধরনের শীর্ষ সম্মেলনকে স্বাগত জানিয়েছেন. ইভানেত্স উল্লেখ করেছেন যে, তিনি ভবিষ্যতে এই সম্মেলনের অংশগ্রহণকারীদের নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসাবে দেখতে পেলে খুশী হবেন.