সিরিয়ার সৈন্যবাহিনীর দ্বারা রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার এ দেশে আন্তর্জাতিক কোয়ালিশন বাহিনীর প্রত্যক্ষ অনুপ্রবেশের জন্য যুক্তিসঙ্গত কারণ হতে পারে. এ সম্বন্ধে সোমবার সন্ধ্যায় বলেছেন ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ফ্রাঁসুয়া ওলান. আগে এমনই শর্ত উত্থাপন করেছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামা. পেন্টাগন অভাবনীয় পরিস্থিতির ক্ষেত্রে সিরিয়ার রাসায়নিক ও জৈব অস্ত্র ধ্বংস করার কর্ম-পরিকল্পনা প্রণয়ন করছে, আগে জানিয়েছিল “লস এঞ্জেলেস টাইমস” পত্রিকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাম না জানানো এক উচ্চপদস্থ রাষ্ট্রীয় কর্মীর উদ্ধৃতি দিয়ে. সিরিয়ায় পরিস্থিতি এমনভাবে বিকশিত হচ্ছে যে, বিদেশী হস্তক্ষেপ ক্রমেই বেশি সম্ভব হয়ে উঠছে, মনে করেন বৃটিশ সামরিক কর্মীরা. গ্রেট-বৃটেনের সশস্ত্র বাহিনীর কর্নেল রিচার্ড কেম্প আগে বলেছিলেন, “সামরিক পরিকল্পনার প্রণেতাদের নিজেদের দেশের নেতাদের জন্য সিরিয়ায় হস্তক্ষেপের বিভিন্ন ধরণ প্রস্তুত করা উচিত্, যদি এ সঙ্ঘর্ষ তাদের স্পর্শ করে সে ক্ষেত্রে. এমন প্রস্তুতি চালানো হচ্ছে কয়েকটি পশ্চিমী দেশের রাজধানীতে, এবং তাছাড়া সিরিয়াতে ও তুরস্কে”. রাশিয়া ও চীন সিরিয়া সঙ্কটে বাইরের হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করছে, এ বিষয়ে সতর্ক করে দিয়ে যে, সিরিয়ায় “লিবিয়ার চিত্রনাট্যের” পুনরাবৃত্তি নিকট প্রাচ্যে পরিস্থিতি গুরুতরভাবে অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে.