0মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এশিয়ায় রকেটবিরোধী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উপাদান স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়ে চীনের সাথে বিভিন্ন পর্যায়ে আলাপ-আলোচনা চালাচ্ছে. ওয়াশিংটন বেজিংকে বোঝানোর চেষ্টা করছে যে, তা চীনের বিরুদ্ধে নির্দেশিত নয়. এ সম্বন্ধে শুক্রবার বলেছেন মার্কিনী পররাষ্ট্র বিভাগের প্রতিনিধি ভিক্টোরিয়া ন্যুল্যান্ড. তিনি বলেন, “রকেটবিরোধী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা চীনের বিরুদ্ধে নির্দেশিত নয়, এ সব পরিকল্পনায় উত্তর কোরিয়া থেকে রকেট বিপদ সম্পর্কে আমাদের উদ্বেগ প্রতিফলিত হচ্ছে”. ইউরোপে এবং নিকট প্রাচ্যে রকেটবিরোধী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপনের পরিকল্পনার কথায় এসে ন্যুল্যান্ড উল্লেখ করেন যে, এ সব ব্যবস্থা প্রতিরক্ষাত্মক. তাঁর কথায়, প্রতিপক্ষের রকেট ক্ষেপণ না হওয়া পর্যন্ত এগুলি কার্যকরী হবে না. উত্তর কোরিয়ার তরফ থেকে রকেট বিপদ প্রতিরোধের জন্য এশিয়ায় রকেটবিরোধী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রসার সম্পর্কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনার কথা গতকাল জানিয়েছিল “ওয়াল-স্ট্রীট জার্নাল” পত্রিকা. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সদর দপ্তরগুলির অধিকর্তাদের ঐক্যবদ্ধ কমিটির সভাপতি মার্টিন ড্যাম্পসি শুক্রবার এ কথা সমর্থন করেছেন যে, পেন্টাগন জাপানে আরও একটি রেডিও-লোকেশন সেন্টার স্থাপন নিয়ে আলাপ-আলোচনা চালাচ্ছে, কিন্তু সিদ্ধান্ত এখনও গ্রহণ করা হয় নি. বিভিন্ন উত্স নিশ্চয়োক্তি করছে যে, এক্স-ব্যান্ড ডায়াপাজোনের আরও একটি রাডার মার্কিনীরা বসাতে পারে ফিলিপাইনে. এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে রকেটবিরোধী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মজবুত করা – মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ওবামা প্রশাসনের সামরিক স্ট্র্যাটেজির এক অংশ. সামরিক স্ট্র্যাটেজিস্টরা উত্তর কোরিয়া থেকে বিপদে উদ্বিগ্ন, আর তাছাড়া সেই সব প্রতিবেশীর প্রতি চীনের আগ্রাসনী মনোভাবে, যে সব প্রতিবেশীর সাথে বেজিংয়ের ভূভাগ সংক্রান্ত মতভেদ রয়েছে, লিখেছে “ওয়াল-স্ট্রীট জার্নাল”. চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় মার্কিনী পরিকল্পনা সম্পর্কে প্রত্যক্ষভাবে মন্তব্য করছে না, তবে বৃহস্পতিবার সতর্কতা দায়ক এক নোট প্রকাশ করেছে. মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, বেজিং কোনো পক্ষকেই বিশ্বব্যাপী স্ট্র্যাটেজিক ভারসাম্য লঙ্ঘন না করার আহ্বান জানাচ্ছে.