রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুমান করা হচ্ছে যে, সিরিয়ায় রাসায়নিক অস্ত্র সংক্রান্ত পরিস্থিতি এ দেশে বিদেশী হস্তক্ষেপের জন্য কারণ হয়ে উঠতে পারে. এ সম্বন্ধে বুধবার লিখেছে রাশিয়ার “কমের্সান্ত” সংবাদপত্র. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উত্স সংবাদপত্রকে বলেছেন যে, এমন চিত্রনাট্য “খুবই সম্ভাব্য” হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে. সংবাদপত্র উল্লেখ করেছে যে, সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্রের উপর নিয়ন্ত্রণ যাতে হারানো না হয় সেজন্য রাশিয়া সক্রিয়ভাবে কাজ করছে সিরিয়ার কর্তৃপক্ষের সাথে, আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র – সিরিয়ার বিরোধীপক্ষের সাথে. উত্স প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, মস্কো সিরিয়ার কর্তৃপক্ষের সাথে রাসায়নিক অস্ত্র ভান্ডারের নিরাপত্তা ও সংরক্ষণ সুনিশ্চিত করার ব্যবস্থা সম্পর্কে একান্ত সংলাপ চালাচ্ছে. রাশিয়ার কূটনৈতিক বিভাগে এ সব যোগাযোগের ভিত্তিতে আসা হয়েছে এ সিদ্ধান্তে : সিরিয়ার কর্তৃপক্ষ এ অস্ত্র ব্যবহার করতে চায় না এবং স্বতন্ত্রভাবে তা নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম. উক্ত প্রশ্ন নিয়ে সিরিয়ার বিরোধীপক্ষের সাথে কাজ করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র. পরিস্থিতি সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল রাশিয়ার কূটনৈতিক বিভাগের উত্স পত্রিকাকে বলেন, “মার্কিনীরা বিদ্রোহীদের কঠোরভাবে সতর্ক করে দিয়েছে তারা যেন রাসায়নিক অস্ত্র ভান্ডার বা কারখানার কাছে না যায় এবং রাসায়নিক অস্ত্র দখলের চেষ্টা না করে”. প্রসঙ্গত, কূটনীতিজ্ঞের কথায়, সিরিয়ার বিরোধীপক্ষের দিক থেকে তত্পর রয়েছে একসারি সশস্ত্র দল, যাদের উপর “কোনো পক্ষই প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম নয়”. এরা, সর্বপ্রথমে, হল “আল-কাইদার” সাথে জড়িত দল. পত্রিকাটির তথ্য অনুযায়ী, মস্কোয় এ উদ্বেগ প্রকাশিত হচ্ছে যে, রাডিক্যালরা রাসায়নিক অস্ত্র অবধি যদি পৌঁছতে নাও পারে, তাহলেও এমন চিত্রনাট্যের বিপদ পাশ্চাত্যের জন্য সিরিয়ায় সশস্ত্র অনুপ্রবেশের জন্য অজুহাত হতে পারে.