জুলিয়ান আসাঞ্জ ইকোয়েডরে “উইকিলিক্স” সংক্রান্ত নিজের কাজ চালিয়ে যেতে পারেন. এ সম্বন্ধে “বি.বি.সি” টেলি-চ্যানেলকে প্রদত্ত ইন্টারভিউতে বলেছেন এই দক্ষিণ আমেরিকার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রিকার্ডো পাতিনিও. তবে, তাঁর কথায়, ইকোয়েডর আসাঞ্জের কাছে শর্ত উথ্থাপন করেছে – তিনি এমন রাজনৈতিক বিবৃতি দিতে পারবেন না, যা নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করতে পারে ইকোয়েডরের “তার বন্ধুদের” সাথে সম্পর্কে. আসাঞ্জের বিষয়টি ইকোয়েডর, সুইডেন এবং গ্রেট-বৃটেনের মাঝে কূটনৈতিক বিতর্কের কারণ হয়ে উঠেছে. “উইকিলিক্সের” স্রষ্টা ইকোয়েডরের কাছে রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন করেছিলেন জুন মাসে – তাঁকে সুইডেনের হাতে সমর্পণ করার প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার কয়েক দিন আগে, যেখানে তাঁর বিরুদ্ধে বলাত্কারের অভিযোগ তোলা হয়েছে. গ্রেট-বৃটেনের কর্তৃপক্ষ নিজের তরফ থেকে ঘোষণা করেছে যে, আসাঞ্জ-কে দেশ ছেড়ে যেতে দেবে না, কারণ তাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ার জন্য আইনসঙ্গত কারণ দেখতে পাচ্ছে না. “উইকিলিক্স” ব্যাপক জন-পরিচিতি পায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র বিভাগের আফগানিস্তানে ও ইরাকে সামরিক ক্রিয়াকলাপ সংক্রান্ত কয়েক হাজার দলিল প্রকাশের পরে, যাতে ওয়াশিংটনের নীতি অপ্রিয় আলোকে প্রতিফলিত হয়েছে.