মিশর ও প্যালেস্টাইনী “হামাস” আন্দোলন যৌথ কমিশন গঠন করেছে সিনাই উপদ্বীপে সন্ত্রাস তদন্তের জন্য, যেখানে ৫ই আগস্ট ইস্লামিক জঙ্গীরা ১৬ জন মিশরী সীমান্ত সৈনিককে হত্যা করেছে. স্থানীয় প্রচার মাধ্যম জানিয়েছে যে, এখনও পর্যন্ত উগ্র রাডিক্যাল দলের বেশ কিছু সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যারা এ অপরাধের সাথে জড়িত থাকতে পারে. গাজা অঞ্চলে “হামাস” আন্দোলনের নেতৃমণ্ডলী ঘোষণা করেছে যে, চরমপন্থীদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে মিশর-কে সমস্ত প্রয়োজনীয় সাহায্য করবে. ৫ই আগস্টের ঘটনার এবং সিনাইয়ে বসতি-কেন্দ্র ও সামরিক লক্ষ্যবস্তুর উপর চরমপন্থীদের পরবর্তী সব আক্রমণের পরে কায়রো এ উপদ্বীপে অতিরিক্ত সৈন্য সমাবেশ করেছে, সেই সঙ্গে ট্যাঙ্ক বাহিনীও. তা প্রতিবেশী ইস্রাইলের তরফ থেকে আপত্তি জাগায় নি, এ সত্ত্বেও যে দু দেশের মাঝে বিদ্যমান চুক্তি অনুযায়ী তা নিষিদ্ধ.