ইস্লামিক সহযোগিতা সংস্থার অন্তর্ভুক্ত ৫৬টি দেশের প্রতিনিধিরা সংস্থার জরুরী শীর্ষ বৈঠকে অংশগ্রহণ করবেন, যা ১৪-১৫ই আগস্ট অনুষ্ঠিত হবে সৌদি আরবের মক্কা শহরে. শীর্ষ বৈঠকের প্রাক্কালে সৌদি আরবের জিদ্দা শহরে এ সংস্থার দেশগুলির পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের প্রস্তুতিমূলক বৈঠক হয়েছে. এ সাক্ষাতের প্রধান সিদ্ধান্ত ছিল এ সংস্থায় সিরিয়ার সদস্য পদ স্থগিত রাখা সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের সম্মতি. “আল-জাজিরা” টেলি-চ্যানেলের তথ্য অনুযায়ী, এ ধরণের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করেছেন ইরান ও আলজিরিয়ার প্রতিনিধিরা. আশা করা হচ্ছে যে, শীর্ষ সাক্ষাতে সিরিয়া সঙ্কট মীমাংসার ইস্লামিক উদ্যোগ ধ্বনিত হবে. কিছু কিছু তথ্য অনুযায়ী, তার মর্ম হল সিরিয়ায় ইয়েমেনের চিত্রনাট্য ব্যবহার করা, অর্থাত্ রাষ্ট্রপতি বাশার আসদ-কে প্রস্তাব করা হচ্ছে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করার, আর সরকারের প্রতিনিধি এবং বিরোধীপক্ষের মাঝে সমঝোতায় আসা অন্তর্বর্তী সময় সম্পর্কে, যা শেষ হবে সার্বজনীন নির্বাচনে. আসন্ন শীর্ষ সাক্ষাতে মুখ্য আলোচ্য বিষয় হবে বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের মাঝে মতভেদ অতিক্রম করা. অংশগ্রহণকারীদের পূর্ণ তালিকা এখনো পর্যন্ত সঠিকভাবে জানানো হয় নি, তবে জানা আছে যে, ইরানের রাষ্ট্রপতি মাহমুদ আহমাদিনেজাদ ইতিমধ্যে সৌদি আরবে রয়েছেন. ইস্লামিক সহযোগিতা সংস্থা গঠিত হয়েছিল ১৯৬৯ সালে এবং তার উদ্দেশ্য ছিল সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনীতির ক্ষেত্রে ইস্লামিক সংহতি সুনিশ্চিত করা. এ সংস্থায় বর্তমানে রয়েছে ৫৬টি দেশ, এবং রাশিয়া এ সংস্থায় পর্যবেক্ষকের স্থিতি পেয়েছে.