লন্ডন অলিম্পিকে সিনক্রোনাইজড সাঁতারে দলগত প্রতিযোগিতায় সোনা জিতেছে রাশিয়া. চীনা দলের চেয়ে রুশী মেয়েরা ৪ পয়েন্ট বেশী পেয়ে এ মর্যাদা অর্জন করেছে. ব্রোঞ্জ পদক পেয়ে ২য় স্থান লাভ করে চীন.

সুইমিং পুলে রাশিয়ার সিনক্রোনাইজড জুটির কোন প্রতিদ্বন্ধী নেই তা আবারও পুনরায় প্রমাণিত হল.

লন্ডন অলিম্পিকে নিজেদের শেষ্ঠ হিসেবই মনে করেছিলেন রাশিয়ার সিনক্রোনাইজড সুইমিং দল. যদিও চীনা মেয়েরা রাশিয়াকে হারানোর জন্য সব চেষ্টাই করেছিল. এমনকি তাঁরা মানসিক দিক দিয়েই অন্য দলকে বাড়তি চাপ প্রয়োগের কৌশল অবলম্বন করে. পুরো অলিম্পিকের এ বছরে গনমাধ্যমের খবরে বলা হয় যে, চীনা দল লস অ্যাঞ্জেলেসে কিভাবে কঠোর অনুশীলন করছে.

এর জবাবে রাশিয়া অলিম্পিকে নিজেদের চমক দেখাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে. রাশিয়ার লোক সঙ্গীতের সাথে নতুন যান্ত্রিক রিমিক্সের কম্পোজিশন বাঁজানো হয়. আর প্রতিযোগিতায় রুশী মেয়েদের পরিবেশনা অলিম্পিকের পূর্বে আর কেউই দেখে নি. রুশীরা জলে যে শো দেখিয়েছে দর্শকরা অনেকটা প্রাণভরেই তা উপভোগ করেছেন. মেয়েদের দলগত প্রদর্শনী, জাম্পিং ও অঙ্গভঙ্গি এ সব কিছুই ছিল অত্যন্ত দ্রুত গতির. রুশী দলের পর চীনা মেয়েদের পরিবেশনা অনেকটা সাদামাটাই মনে হয়েছে. রুশী দলের সাফল্য সম্পর্কে রেডিও রাশিয়াকে দেওয়া সাক্ষাত্কারে রাশিয়ার সিনক্রোনাইজড সুইমিংয় দলের কোচ তাতিয়ানা দানচেনকো বলেন, মেয়েদের পরিবেশনা ছিল সত্যিই অসাধারণ. তিনি আরও বলেন, “তাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল বিচারকদের সমালোচনা করার কোন সুযোগ না দেয়া এবং আমাদের মেয়েরা তা রক্ষা করেছে. আমাদের অন্যতম প্রতিপক্ষ ছিল স্পেন ও চীন. বলতেই হবে প্রতিযোগিতা ছিল খুবই কঠিন. প্রতিযোগিতার পর আমাদের মেয়েরা বলেছিল, এত কঠিন পরিশ্রম জীবনে আর দ্বিতীয়বার তাঁরা করে নি. ভুলে গেলে চলবে না যে, প্রতিযোগিতার শেষ পর্যন্ত মেয়েদের শক্তি থাকতে হবে এবং অবশ্যই তা হতে হবে সবার শীর্ষে.”

উল্লেখ্য, লন্ডন অলিম্পিকে সিনক্রোনাইজড সাঁতারে রুশী দলের জন্য এটি ২য় স্বর্ণ পদক. এর আগে দ্বৈত ইভেন্টে নাতালিয়া ইশেনকো ও সিভেতলানা রামাসিনা জুটি স্বর্ণ জেতেন.

২০০০ সালে সিডনি অলিম্পিকে সিনক্রোনাইজড সাঁতার অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর এ নিয়ে রাশিয়া ৪ বার এই ইভেন্টে স্বর্ন জয় করল.