প্রকাশ্য ভোটের মাধ্যমে ইন্টারনেট ইউজাররা তৃতীয় সহস্রাব্দের প্রতীক হিসাবে পান্ডা সহ ১১টি প্রাণী ও বস্তু বাছাই করেছে.

এই সহস্রাব্দের অন্যান্য প্রতীকগুলিকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়. প্রথম ভাগ – পরিবেশগত ও প্রযুক্তিগতঃ জলের ফোঁটা, বিদ্যুত উত্পাদনের জন্য উইন্ডমিল, শান্তিপূর্ণ পরমানু. দ্বিতীয় ভাগ – সামাজিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ সব বিজ্ঞাপনঃ ধুমপান করা বন্ধ করো, নোংরা কোরো না. আর তৃতীয় ভাগে আছে – ইন্টারনেটের প্রতীক, ওয়াই-ফাই, ইলেকট্রনিক স্মাইলিক, @, উইকিপেডিয়া.

ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ডলাইফ ফাউন্ডেশনের রুশী শাখা ‘সহস্রাব্দের প্রতীক’ নামক উত্সব পালন করছে, যে উপলক্ষ্যে মহাকাশ থেকে পৃথিবীর ফোটো তোলা হয়েছে. ঐ সব ছবি জনপ্রিয় রুশী ও বিদেশী মানচিত্রের সব ইন্টারনেট রিসোর্সে প্রকাশ করা হবে. এই ভাবে ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ডলাইফ ফাউন্ডেশন আরো একবার বিশ্ববাসীর কাছে পরিবেশ দূষন রোধ করার আবেদন জানাচ্ছে. পৃথিবীর অন্যতম বৃহত এই সামাজিক সংস্থা প্রকৃতি সংরক্ষনের কাজে গত ৫০ বছর ধরে নিয়োজিত. প্রত্যেক বছর এই সংস্থা বারোশোরও বেশি পরিবেশ সংরক্ষন প্রকল্প বাস্তবায়িত করে.

ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ডলাইফ ফাউন্ডেশনের প্রতীক বিশাল আকারের সাদা-কালো পান্ডার প্রতিমূর্তি, যা পারিপার্শ্বিক পরিবেশ রক্ষার উপর দায়িত্ব নেওয়ার আবেদন জানায়, সেই প্রতীক মস্কোয় ‘রুমিয়ানতসেভা বিজনেস সেন্টারে’র দেওয়ালে টানানো হয়েছে – জানাচ্ছেন ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ডলাইফ ফাউন্ডেশনের তথ্য-সচিব দারিয়া কুদ্রিয়াতসেভা.

আমার মনে হয়, যে আমাদের পান্ডার প্রতিকৃতি বিশ্বে সবচেয়ে বড় আকারের. ওটা আঁকার জন্য ৩০০ লিটারেরও বেশি রঙ খরচা করা হয়েছে. ঐ চিত্র এখন থেকে মহাকাশ থেকেও দেখা যাবে. আশা করি যে, এটা দেখাবে, যে মানুষ ও বন্য প্রকৃতির পাশাপাশি থাকা অপরিহার্য.

‘রুমিয়ানতসেভা বিজনেস সেন্টারে’র ছাদে ও দেওয়ালে আঁকা ১১টি প্রতীক পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে মহাকাশ থেকে ও এরোপ্লেনের জানলা থেকে. সেইজন্যেই উত্সবের সংগঠকেরা প্লেনের জানলা থেকে তোলা সহস্রাব্দের প্রতীকগুলির সেরা ছবির প্রতিযোগিতা ঘোষনা করেছে.