পেন্টাগন এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বোমারু বিমান এবং সাবমেরিনের সংখ্যা বাড়াবে, বলেছেন পরিকল্পনা প্রণয়ন সংক্রান্ত উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী রবার্ট শের. মার্কিন পার্লামেন্টের নিম্ন কক্ষ – প্রতিনিধি কক্ষে শুনানীর সময় শের বলেন, “আমরা গুয়ামে(প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাংশে) স্ট্র্যাটেজিক ঘাঁটি সুদৃঢ় করার পরিকল্পনাকে অন্য দৃষ্টিভঙ্গী থেকে দেখব”.এইভাবে তিনি বিধায়কদেরউত্তর দেন এ প্রশ্নের যে, পেন্টাগন বিশেষজ্ঞদের মত মানবে কিনা, যাঁরা এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বিমান বাহিনী এবং সাবমেরিন নৌবাহিনী সুদৃঢ় করার পরামর্শ দিয়েছেন. গুয়ামের ঘাঁটিতে রয়েছে মার্কিনী বি-৫২ মার্কা বোমারু বিমানগুলি এবং অন্ততপক্ষে তিনটি সাবমেরিন. গত সপ্তাহে ওয়াশিংটনের গবেষণা ইনস্টিটিউট সি.এস.আই.এস, যা রিপোর্ট তৈরি করে, সেই সঙ্গে মার্কিনী প্রশাসনের জন্যও, পেন্টাগন-কে পরামর্শ দেন গুয়ামে কয়েকটি অতিরিক্ত সাবমেরিন পাঠাতে, যাতে এ অঞ্চলে সামরিক প্রাধান্য সুনিশ্চিত করা যায় চীনের প্রভাব বৃদ্ধির প্রতি-ভারে. জুন মাসে পেন্টাগনের প্রধান লেওন পানেট্টা বলেন যে, আগামী কয়েক বছরে এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজের নৌবাহিনীর উপস্থিতি বাড়াবে. ২০২০ সাল নাগাদ মার্কিনী নৌবাহিনীর প্রায় ৬০ শতাংশ জাহাজ এ অঞ্চলে পাঠাবে. মন্ত্রীর কথায়, এশিয়ায় উপস্থিতি প্রসার সংক্রান্ত স্ট্র্যাটেজির কাঠামোতে এ ব্যবস্থা এই “জীবনী গুরুত্বের অঞ্চলের” জন্য “স্থিতিশীলতা নিয়ে আসবে এবং নতুন সুযোগ-সম্ভাবনা উন্মুক্ত করবে”. বর্তমানে এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৮৫টি যুদ্ধজাহাজ, যার অনেকগুলিকেই আগামী কয়েক বছরে বদলাতে হবে, কারণ সেকেলে হয়ে পড়েছে এবং মেরামত করা যাবে না.