সিরিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার এবং রাষ্ট্রপতি বাশার আসদ-কে তাঁর পদ থেকে অপসারণের আহ্বান সিরিয়া সম্পর্কে খসড়া সিদ্ধান্ত থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, যা পেশ করা হয়েছে রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ অ্যাসেম্বলিতে. নিউ-ইয়র্কে এক কূটনৈতিক উত্স জানিয়েছেন যে, খসড়া সিদ্ধান্ত নিয়ে ভোটদান হওয়ার কথা ৩রা আগস্ট. উত্স উল্লেখ করেন, “ভোটদান হবে শুক্রবার, এখনও খসড়া নিয়ে আলোচনা চলছে এবং তাতে সংশোধন আনা হচ্ছে”. আগে ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্র সম্বলিত এই আন্তর্জাতিক সংস্থায় সৌদি আরবের দ্বারা প্রস্তাবিত খসড়া সিদ্ধান্তে সিরিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা প্রবর্তন এবং দেশের রাষ্ট্রপতি বাশার আসদ-কে তাঁর পদ থেকে অপসারণের আহ্বান জানানো হয়েছিল. তবে খসড়ার নতুন ধরণে তার কথা বলা হচ্ছে না, যদিও মুখ্য সমালোচনা সিরিয়ার সরকারের বিরুদ্ধেই নির্দেশিত, যার বিরুদ্ধে লড়াই করছে সশস্ত্র বিরোধীপক্ষের দলগুলি. সাধারণ অ্যাসেম্বলিতে প্রস্তাবিত খসড়া সিদ্ধান্তে সিরিয়ার কর্তৃপক্ষের কাছে এ দাবি অন্তর্ভুক্ত যে, রাসায়নিক অস্ত্র এবং জীব-বৈজ্ঞানিক অস্ত্র অথবা সেই ধরণের বস্তু যেন ব্যবহার করা থেকে অথবা অ-রাষ্ট্রীয় দলকে হস্তান্তর করা থেকে বিরত থাকা হয়. তাছাড়া, এমন অস্ত্রের সংরক্ষণ সংক্রান্ত বাধ্যবাধকতা পালনের আহ্বানও জানানো হয়েছে. খসড়ার প্রণেতারা সিরিয়ায় মানব অধিকার লঙ্ঘনে দোষীদের শাস্তি দেওয়ার গুরুত্বের কথা জোর দিয়ে বলেছেন, সেই সঙ্গে জনগণের বিরুদ্ধে অপরাধ হিসেবে মূল্যায়ন করা যেতে পারে এমন সব অপরাধেরও. নিরাপত্তা পরিষদকে এ উপলক্ষে “যথাযথ ব্যবস্থা” আলোচনা করার আহ্বান জানানো হচ্ছে. আগে পশ্চিমী দেশগুলি নিরাপত্তা পরিষদে নিষেধাজ্ঞার বিপদ সম্বলিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করানোর চেষ্টা করেছিল. কিন্তু রাশিয়া ও চীন তার গ্রহণ অবরোধ করেছিল নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশ হিসেবে ভেটো-র অধিকার খাটিয়ে. সিরিয়ায় ২০১১ সালের মার্চ থেকে চলা সঙ্ঘর্ষে, রাষ্ট্রসঙ্ঘের তথ্য অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত ১৬ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে.