লন্ডন অলিম্পিকের সংগঠকেরা আগত অতিথিদের নতুন সমালোচনার ঢেউয়ের জন্য তৈরি হচ্ছে. এবারে অতিথিরা অসন্তুষ্ট এই সব কারণে, যে স্টেডিয়ামগুলোতে এ.টি.এম. কাজ করে না ও বহু দোকানে ও কাফেতে সব ক্রেডিট কার্ড গ্রহণ করছে না. এটা বড় কেলেংকারিতে পরিণত হবে না, কিন্তু সংগঠকদের অগুন্তি ভুল হিসাবের সাথে এগুলোও মেজাজ খারাপ করার কারণ হবে.

এ.টি.এম. ও ক্রেডিট কার্ডের সমস্যায় সংগঠকেরা হস্তক্ষেপ করলেও, মনে হচ্ছে, যে সংযোগের সমস্যার সমাধান তারা করে উঠতে পারবে না. প্রতিযোগিতার প্রথম কয়েকদিন ধরে মাঝেমধ্যেই টিভিতে ছবি অদৃশ্য হচ্ছে অথবা ঝাপসা হয়ে যাচ্ছে. সংগঠকেরা বলছে, যে এর কারণ দর্শকরা স্মার্টফোন ও মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার করছে. আর জনতা যদি গ্যালারি থেকে টুইটারে খেলার বর্ণনা দেওয়া থেকে বিরত হয়, তবে নাকি পরিস্থিতির উন্নতি হবে. বিশেষজ্ঞরা ইতিমধ্যেই প্রমাণ করে দিয়েছেন, যে দূরদর্শন ও মোবাইল টেলিফোনের মধ্যে কোনোরকম যোগাযোগ নেই. কিন্তু স্টেডিয়ামগুলোতে মোবাইল ফোনের বাজে সংযোগ আর শোধরানো যাবে না – বলছেন মোবাইল রিসার্চ গ্রুপের বিশ্লেষক এলদার মুরগাজিন.

এটা অত্যন্ত সহজ কাজ. যে সব জায়গায় লোকের ভীড় হবে বলে ধারনা করা হয়, সেই সব জায়গায় বাড়তি স্টেশন বসাতে হয়, ওয়ারলেস জোরালো করতে হয়. কিন্তু এই সব কাজ অলিম্পিক শুরু হওয়ার আগে করতে হতো. এখন এ সব করে কোনো ফল হবে না.

আজকের দিনে অলিম্পিকে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে স্টেডিয়ামগুলিতে বহু খালি আসন. সংগঠকরা স্কুলের পড়ুয়া, উচ্চশিক্ষার্থী ও সৈনিকদের বিনা পয়সায় নিয়ে এসে কোনোমতে সামাল দিচ্ছে. প্রাথমিকভাবে ঐ সব আসন নির্দ্ধারিত ছিল অলিম্পিকের স্পনসর ও পার্টনারদের জন্য. কিন্তু তাদের অধিকাংশ অলিম্পিককে অগ্রাহ্য করছে. এই প্রসঙ্গে চেম্পিওনাত. কোম পোর্টালের সহকারী ডিরেক্টর নিকোলাই পেত্রোসিয়ানের বক্তব্য শুনুন.

এখন সংগঠকেরা স্টেডিয়ামে যাকে খুশি তাকে ঢুকতে দিচ্ছে যাতে সমালোচনার ঢেউ অন্য খাতে বইয়ে দেওয়া যায়. অলিম্পিকের মতো প্রতিযোগিতায় স্টেডিয়াম যদি আধা খালি থাকে, সেটা সংগঠকদের চরম ব্যর্থতা.

অলিম্পিকে আরও একটা বিচিত্র ঘটনা ঘটেছে. পুলিশ ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামের ইলেকট্রনিক চাবি হারিয়ে ফেলায় ৬২ হাজার ডলার খরচা করে নতুন চাবি কিনতে হবে. ওয়েম্বলিতে কয়েকটা ফুটবল ম্যাচ হওয়ার কথা.