রাশিয়া ও ভিয়েতনামের রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন এবং চিওঙ্গ তান শাঙ্গ শুক্রবার সোচি-তে আলাপ-আলোচনা করবেন, জানিয়েছে ক্রেমলিনের প্রেস-সার্ভিস. সর্বোচ্চ পর্যায়ে আলাপ-আলোচনার সময় রাজনৈতিক সংলাপ গভীর করা, পারস্পরিক লাভজনক অর্থনৈতিক সহযোগিতার অবস্থা এবং তা প্রসারের পরিপ্রেক্ষিত আলোচনা করার পরিকল্পনা আছে. এ আলাপ-আলোচনার সময় রাষ্ট্রনেতারা আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক ক্ষেত্রের প্রধান প্রধান বিষয়ে ঘড়ি মিলিয়ে নেবেন, যা বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ ভ্লাদিভস্তোকে এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থার আসন্ন শীর্ষ সাক্ষাতের প্রাক্কালে. প্রেস-সার্ভিসের খবর অনুযায়ী, ভিয়েতনামী নেতৃবৃন্দ অবশ্যই এ বিষয়ে জোর দেবেন যে, রাশিয়ার সাথে দৃঢ় সম্পর্কের প্রাধান্যমূলক গুরুত্ব আছে সমাজতান্ত্রিক ভিয়েতনাম প্রজাতন্ত্রের জন্য. রাশিয়া-ভিয়েতনাম পারস্পরিক ক্রিয়াকলাপ বিকশিত হচ্ছে গতিশীলভাবে, স্ট্র্যাটেজিক শরিকানার ঘোষণাপত্রের ধারায়, যা স্বাক্ষরিত হয়েছিল ২০০১ সালের মার্চে. রাশিয়ায় ভিয়েতনামের রাষ্ট্রপতির প্রথম সরকারী সফরের সময়. ক্রেমলিনের প্রেস-সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, ২০১১ সালে দ্বিপাক্ষিক পণ্য-আবর্তন পৌঁছেছিল ৩০৬ কোটি ডলারে (+৫৫%), আর ২০১২ সালের জানুয়ারী - মে মাসে ১৪৭ কোটি ডলার (+৫৫%). রাশিয়ার রপ্তানি বেড়েছে ১৩৪ কোটি ডলার (+০.৩%), আর আমদানি – ১৭২ কোটি ডলার পর্যন্ত (+৫৫%) : প্রধাণত টেক্সটাইল দ্রব্য ও জুতো সরবরাহের জন্য (৩৮ কোটি ৪০ লক্ষ ডলার; +৬১%), প্রাকৃতিক রবার এবং রাসায়নিক শিল্প-দ্রব্য (৮ কোটি ২০ লক্ষ; +১৯%). এ বছরে রাশিয়ার রপ্তানি বৃদ্ধির প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে (+১১৮%). ভিয়েতনামে সরবরাহ করা মুখ্য পণ্যদ্রব্যের মধ্যে আছে – মেশিন ও যন্ত্রপাতি (৭১%), আর তাছাড়া ধাতু এবং ধাতুর জিনিস (২২%), উল্লেখ করা হয়েছে প্রেস-সার্ভিসে.