সিরিয়া প্রশ্নে রাষ্ট্রসঙ্ঘকে এড়িয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কার্যকলাপ এ দেশে পরিস্থিতি শুধু তীব্রই করে তুলতে পারে এবং তার পরিণতি বিপর্যয়কর হতে পারে. এ সম্বন্ধে বলেছেন রাষ্ট্রসঙ্ঘে রাশিয়ার স্থায়ী প্রতিনিধি ভিতালি চুরকিন বুধবার রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে নিকট প্রাচ্যে পরিস্থিতি সম্পর্কে আলোচনার সময়. কূটনীতিজ্ঞ জোর দিয়ে বলেন যে, তাহলে “এ ধরণের ক্রিয়াকলাপের অতি সম্ভাব্য বিপর্যয়কর পরিণতির জন্য” সমস্ত দায়িত্ব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপরই আরোপিত হবে. চুরকিন বলেন যে, দামাস্কাস এবং সিরিয়ার বিরোধীপক্ষের উপর একই সঙ্গে প্রভাব বিস্তার করা প্রয়োজন এবং সিরিয়ায় হিংসা বৃদ্ধির জন্য বিরোধীপক্ষকে আরও প্ররোচিত করা থেকে বিরত থাকা উচিত. তাঁর কথায়, রাশিয়া ভবিষ্যতেও সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত প্রণয়ন এবং আন্তঃসিরীয় সংলাপ গড়ে তোলায় সাহায্য করার জন্য চেষ্টা করে যাবে. তিনি সিরিয়ায় হিংসা বন্ধ করায় আগ্রহী সমস্ত দেশকে আহ্বান জানান আননের পরিকল্পনা, জেনেভা সম্মেলনে গৃহীত সিদ্ধান্ত এবং রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তের কাঠামোতে কাজ করার. একই সঙ্গে তিনি জানান যে, সম্প্রতি রাশিয়া রাষ্ট্রসঙ্ঘকে জানিয়েছে রাষ্ট্রসঙ্ঘের পর্যবেক্ষক মিশনের বিন্যাসে ৩০ জন সামরিক পর্যবেক্ষককে পাঠানোর প্রস্তুতির কথা. তিনি তাছাড়া বিদেশী আগ্রাসনের ক্ষেত্রে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা সম্বন্ধে সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধির বিবৃতি সম্বন্ধেও মন্তব্য করেন. চুরকিন এ আশা প্রকাশ করেন যে, সিরিয়ার কর্তৃপক্ষ আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা একনিষ্ঠভাবে পালন করবে এবং যুদ্ধ চালানোর উপায় হিসেবে রাসায়নিক অস্ত্র ব্যবহার করবে না. এদিকে পশ্চিমী দেশগুলির প্রতিনিধিরা বলছে যে, নিরাপত্তা পরিষদে সিরিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা প্রবর্তন সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে রাশিয়া ও চীনের ভেটোর অধিকার খাটানো নিরাপত্তা পরিষদকে সিরিয়া সঙ্কটকে “ভালোর দিকে” প্রভাবিত করার সম্ভাবনা থেকে বঞ্চিত করছে. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি বলেন যে, যেহেতু রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ তার উপর ন্যস্ত দায়িত্ব অনুযায়ী কাজ করতে পারে নি, তাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কাজ চালিয়ে যাবে “সিরিয়ার বন্ধু” গ্রুপের মাধ্যমে.