রাশিয়ার প্রতিরক্ষা শিল্পের কোম্পানীগুলি নিজেদের তৈরী সর্বাধুনিক প্রযুক্তি প্রদর্শনী করেছে মস্কো উপকণ্ঠের ঝুকোভস্কি শহরের “যন্ত্র নির্মাণে প্রযুক্তি – ২০১২” ফোরামে.

এখানে দেখানো নতুন জিনিস গুলির মধ্যে একটি অন্যতম নতুন জিনিস হয়েছে ভরোনেজ শহরের “সজজ্ভেজদিয়ে” কনসার্নের কৌশল গত ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় ভাবে সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা. এই ব্যবস্থায় নানা ধরনের সমরাস্ত্র গুলি একত্রিত ভাবে নিয়ন্ত্রণের উপায় রয়েছে, এই কথা উল্লেখ করে কোম্পানীর প্রতিনিধি আলেকজান্ডার জাগাইনভ বলেছেন:

“এখন সর্বত্র খোঁজা হয়ে থাকে যুদ্ধের ক্ষমতা বাড়ানোর মতো উপায়. আর এই ধরনের স্বয়ংক্রিয় করার ব্যবস্থা সম্ভব করে বিশাল রকমের অগ্নি বর্ষণের রসদ না রেখেও ফলপ্রসূ হওয়া বৃদ্ধিতে ও রসদের খরচ কম করতে. এখানে একেবারেই নতুন ধরনের প্রোগ্রাম দেওয়া হয়েছে, তার সঙ্গে দিক নির্দেশের ব্যবস্থা রয়েছে, যা নিজেদের এবং প্রতিপক্ষের অবস্থান নির্দিষ্ট করে দেয়”.

ঝুকোভস্কি ফোরামে দর্শক ও বিশেষজ্ঞদের পক্ষ থেকে খুবই বেশী আগ্রহ দেখা গিয়েছে রকেট – জেনিথ কমপ্লেক্স এস- ৩০০ ও বুক এর প্রতি. এটাতে মনে তো হয় না যে, আশ্চর্য হওয়ার কারণ রয়েছে, কারণ বর্তমানে বিশ্বে রাশিয়ার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে আগ্রহ বেড়েছে, এই কথা উল্লেখ করেছেন সামরিক প্রযুক্তি সহযোগিতা সংক্রান্ত রাষ্ট্রীয় পরিষেবার ডিরেক্টর আলেকজান্ডার ফোমিন, তিনি এই সূত্রে বলেছেন:

“সদ্য বিগত সময়ে দেখতে পাওয়া গিয়েছে যে, বর্তমানে সামরিক প্রযুক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রাথমিক ভাবে আকাশ পথে আঘাত করা হয়ে থাকে, কারণ তা সবচেয়ে বেশী শক্তিশালী ও দ্রুত ব্যবহার যোগ্য. দেখাই যাচ্ছে যে, এই যন্ত্র ব্যবহারের বিরুদ্ধে তত্ক্ষণাত তৈরী করা হচ্ছে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যার মধ্যে নানা ধরনের রকেট জেনিথ কমপ্লেক্স রয়েছে. রাশিয়া সমস্ত ধরনের এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরী করে – তা যেমন চলমান, তেমনই নিকট, মাঝারি ও দূর পাল্লার”.

এস – ৩০০ ও এস – ৪০০ এখনই রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর কাজে রপ্ত রয়েছে. কিছু দিনের মধ্যেই আসছে পঞ্চম প্রজন্মের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এস- ৫০০.