রাশিয়ার বাজেট জ্বালানীর মূল্যে তীক্ষ্ণ ওঠা নামার থেকে নিরাপদ করা দরকার, ঘোষণা করেছেন রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন. তিনি আজ বাত্সরিক বাজেট বক্তৃতা দিয়েছেন. দেশের নেতা বিশেষ করে উল্লেখ করেছেন যে, খনিজ তেল ও গ্যাসের ঘাটতি কমানোর জন্য অর্থনৈতিক বিকাশের প্রয়োজন রয়েছে. তার মধ্যে কাঁচামালের সঙ্গে সম্পর্ক নেই, এমন শিল্প ক্ষেত্রের উপরে করের ভার নিশ্চিত করেই তা করা উচিত্. এই বাজেট বক্তৃতা – প্রথমবার পুতিন দেশের রাষ্ট্রপতি হিসাবে প্রশাসন ও জাতীয় সভার সামনে উপস্থাপনা করেছেন.

ভ্লাদিমির পুতিন উল্লেখ করেছেন যে, প্রধান ঝুঁকি লুকিয়ে আছে রাশিয়ার অর্থনীতির বিশ্ব অর্থনীতির জ্বালানী বাজারের কাঠামোর উপরে নির্ভরতার জন্য. আর এটা দেশের বাজেটের সূচক গুলিকে বিপদে পেলেছে. সমস্ত ঝুঁকি বিচার করে বাজেট হওয়া উচিত্ খনিজ তেলের দামের মাঝারি পাল্লার দামের ভিত্তিতে, মনে করেন রাষ্ট্রপতি, তিনি তাই বলেছেন:

“রাষ্ট্রীয় বাজেটের খরচের পরিকল্পনা করার সময়ে ঠিক হবে চালু বা পূর্বাভাস অনুযায়ী খনিজ তেলের দামের উপরে নির্ভর না করার, যা নিয়মিত পরিবর্তিত হয়, বরং আরও বেশী করে ভিত্তি মূলক সূচকের উপরে. তাই বাজেট তৈরীর সময়ে ভিত্তি হিসাবে নেওয়া উচিত্ হবে খনিজ তেলের গত পাঁচ বছরের দামের গড় হিসাবে নেওয়া, তার মধ্যে আবার প্রত্যেক বছরের হিসাবের সময়ে দেখা হবে আরও এক বছর বেশী হিসাবের মধ্যে ধরে. এই ভাবেই, পাঁচ বছর পরে রাশিয়ার বাজেট হিসাব করা হবে বিগত দশ বছরের খনিজ তেলের গড় দামের উপরে ভিত্তি করে”.

২০১৪- ২০১৫ সালের বাজেট বক্তৃতায় প্রধান লক্ষ্য উদ্ধৃত করা হয়েছে অর্থনীতির স্ট্র্যাটেজিক নিয়ন্ত্রণের গুণগত মান উন্নয়নের উপরে. কাঁচামালের উপরে নির্ভরশীল নয়, এমন সেক্টরের বিকাশ – একটি প্রাথমিক ব্যবস্থা, যা অর্থনীতিকে উদ্দীপ্ত করার জন্য নেওয়া হয়েছে.

রাষ্ট্রপতির বাজেট বক্তৃতায় সেই সমস্ত লক্ষ্য বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে, যা আগামী তিন বছরের জন্য বাজেট নীতি হিসাবে নেওয়া হয়েছে. ফলে এই প্রকল্প মন্ত্রীসভার পক্ষ থেকে নেওয়া হবে ভিত্তি হিসাবে দেশের প্রধান আর্থিক দলিল তৈরী করার সময়ে. বাজেট বক্তৃতা – জাতীয় সভার প্রতি বক্তৃতার অংশ, দেশের রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে লিখিত অবস্থায় দেওয়া হয়েছিল ২০০০ সালে. ২০০৯ সাল থেকে রাষ্ট্রপতি এই বক্তৃতা ক্রেমলিনে ব্যক্তিগত ভাবে দিয়ে থাকেন, সেই সময়ে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রীসভার সদস্যরা, দেশের পার্লামেন্টের দুই কক্ষের সদস্যরাও উপস্থিত হন.