লন্ডনে ২৭শে জুলাই থেকে ১২ই জুন অনুষ্ঠিতব্য অলিম্পিকে রাশিয়া পদকপ্রাপ্তির তালিকায় প্রথম তিনটি দেশের মধ্যে যেতে চায়. রাশিয়ার আসল প্রতিদ্বন্দী হবে চীন, আমেরিকা, জার্মানী ও গ্রেট বৃটেন.

ইংল্যান্ডের রাজধানীতে ৩৭টি ক্রীড়াবিভাগে মোট ৩০২টি স্বর্ণপদকের জন্য প্রতিযোগিতা হবে. রাশিয়ার জাতীয় দল রীতিমতো রাসভারী – প্রায় ৪৫০ ক্রীড়াবিদ. রাশিয়ার ক্রীড়ামন্ত্রী ভিতালি মুতকোর মতে রাশিয়া ২০টিরও বেশি স্বর্ণপদক জয় করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ.

আগের মতোই আমরা খুবই আশা করছি আমাদের ঐতিহ্যগত ক্রীড়াবিভাগের উপর – কুস্তি, বক্সিং, আর্টিস্টিক জিমন্যাস্টিক, সিনখ্রোনাইসড সুইমিং. ডাইভিংয়েও আমাদের ভালো দল. জাতীয় দলের গড় বয়স – ২৬বছর. সম্ভাবনাময় দল, তাই আমরা আশা করছি, যে প্রথম তিনটি দেশের মধ্যে থাকবো.

ক্রীড়ামন্ত্রীর কথায়, রাশিয়ার বাস্তবিক কারণেই অলিম্পিকের ফেভারিট চীন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে পাল্লা দেওয়া শক্ত হবে. তবে স্পোর্টসে কখনো পূর্বাভাষ দেওয়া যায় না. অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সাফল্য নির্ভর করবে ক্রীড়াবিদদের মনোভাব, সৌভাগ্য ও অবশ্যই পেশাদারীত্বের উপর.

মহিলাদের ওয়াটার পোলো টিমটা খুব ভালো. আমাদের খুব শক্তিশালী মহিলাদের হ্যান্ডবল টিম, বাস্কেটবলেও বিশ্বের অন্যতম সেরা টিম. পুরুষদের ভলিবল টিমও বিশ্বে অন্যতম সেরা. আর তাই সবমিলিয়ে, আমি আশা করছি, যে আমরা সাফল্যের সাথে ক্রীড়া শেষ করবো.

রাশিয়ানরা প্যারাঅলিম্পিয়ানদের উপরও অনেক প্রত্যাশা করছে.

আমি বলতে পারি, যে আমাদের প্যারাঅলিম্পিক টিম খুবই শক্তিশালী. ১৮২ জন প্রতিবন্ধী ক্রীড়াবিদ অলিম্পিকে যাবে. এই সংখ্যা বেইজিং অলিম্পিকে যোগদানকারীদের প্রায় দ্বিগুণ. তবে এটাই মুখ্য নয়. আমরা চাইছি যাতে দেশে প্রতিবন্ধীদের জন্য খেলাধুলার উন্ময়নে লোকজনকে উদ্বুদ্ধ করা যায়.

ভিতালি মুতকোর কথায় প্যারাঅলিম্পিকে রাশিয়া সম্ভাব্য ২০টি বিভাগের মধ্যে ১২টিতে প্রতিদ্বন্দিতা করবে. ভবিষ্যতে প্যারাঅলিম্পিয়ানদের সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা আছে. এটা সম্ভব হবে দেশে প্রতিবন্ধীদের জন্য বহু ক্রীড়কেন্দ্র খোলার দৌলতে. তাদের জন্য প্রথম বিবিধ ক্রীড়াকেন্দ্র ‘ওকা’ ইতিমধ্যেই চালু হয়েছে.