সিরিয়ার দ্বারা ধ্বংস করা তুরস্কের ফাইটার বিমান ন্যাটো জোটের প্রত্যক্ষ সামরিক হস্তক্ষেপ ঘটায় নি, কারণ জোট যুদ্ধের ক্ষতির ভয় পাচ্ছে সিরিয়ার সুবিকশিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্য. এ সম্বন্ধে “ইন্টারফাক্স” সংবাদ এজেন্সিকে প্রদত্ত ইন্টারভিউতে বলেছেন রাশিয়ার সামাজিক সভার সদস্য, রাজনৈতিক গবেষণা ইনস্টিটিউটের ডিরেক্টর সের্গেই মার্কোভ. বিশেষজ্ঞের কথায়, জোট তাছাড়া ভয় পাচ্ছে রাডিক্যাল ইস্লামপন্থীদের শাসন ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনার. মার্কোভ জোর দিয়ে বলেন, ন্যাটো জোট উপলব্ধি করে যে, “সিরিয়া – লিবিয়ার মতো নয়”. প্রসঙ্গত, রাজনীতি বিশারদের মূল্যায়ন অনুযায়ী, ন্যাটো জোট বাস্তবিকপক্ষে ইতিমধ্যেই সিরিয়ার বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালাচ্ছে, তবে অন্যের মারফত. এ সম্ভাবনাও বাদ দেওয়া যায় না যে, জোট এ কৌশলেই থেমে থাকবে. মার্কোভ তাছাড়া অনুমান করেন যে, ন্যাটো জোট সিরিয়ার উপর আঘাত হানার পরিণতিও বিবেচনা করেছে. শাসন ক্ষমতায় “আল-কাইদার” আসার সম্ভাবনা “পাশ্চাত্যের জন্য নতুন সব সমস্যা সৃষ্টি করবে”. তাছাড়া, সংযত থাকার গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল – সিরিয়ার উপর সামরিক আঘাত হানার সম্ভাবনা সম্পর্কে মস্কো ও বেজিংয়ের অটল স্থিতি. মার্কোভ বলেন, “অবশ্যই, জোট বিবেচনায় রাখে রাশিয়া ও চীনের অটল স্থিতি ও কঠোর প্রতিক্রিয়া, আর তার পরে বিশ্ব জনসমাজের অন্যান্য সদস্যের প্রতিক্রিয়ার কথা”.